ভোক্তা পর্যায়ে ১২ কেজি তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) সিলিন্ডারের দাম ৭০ টাকা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। নতুন মূল্য অনুযায়ী, ১২ কেজির একটি এলপিজি সিলিন্ডারের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য (মূসকসহ) নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৫৯৮ টাকা। এর আগে একই সিলিন্ডারের দাম ছিল ১ হাজার ৫২৮ টাকা।
রোববার ২ আগস্ট বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। নতুন এ মূল্য একই দিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে কার্যকর হয়েছে এবং কমিশনের পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত বহাল থাকবে।
বিইআরসি জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে এলপিজির মূল্য, আমদানি ব্যয়, ডলার বিনিময় হার, পরিবহন ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট খরচ পর্যালোচনা করে প্রতি মাসে এলপিজির দাম সমন্বয় করা হয়। সেই ধারাবাহিকতায় আগস্ট ২০২৬ মাসের জন্য নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, গৃহস্থালিতে ব্যবহৃত ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম আগের মাসের তুলনায় ৭০ টাকা বেড়েছে। একইভাবে ৫ কেজি, ১৬ কেজি, ৩০ কেজি, ৩৩ কেজি ও ৪৫ কেজিসহ অন্যান্য আকারের সিলিন্ডারের মূল্যও প্রতি কেজির নির্ধারিত দরের ভিত্তিতে পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিইআরসির বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, কমিশন নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে এলপিজি বিক্রি করা যাবে না। নির্ধারিত দামে এলপিজি সরবরাহ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কোম্পানি, পরিবেশক ও ডিলারদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
দেশে বর্তমানে পাইপলাইনের প্রাকৃতিক গ্যাস সুবিধার বাইরে থাকা বিপুল সংখ্যক পরিবার রান্নার কাজে এলপিজির ওপর নির্ভরশীল। এছাড়া হোটেল-রেস্তোরাঁ, ক্ষুদ্র শিল্প এবং বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানেও এলপিজির ব্যবহার বাড়ছে। ফলে এলপিজির মূল্যবৃদ্ধি সরাসরি লাখো গ্রাহকের মাসিক ব্যয়ে প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক বাজারে সৌদি আরামকোর কনট্রাক্ট প্রাইস (সিপি) এবং আমদানি ব্যয়সহ বিভিন্ন সূচক বিবেচনায় প্রতি মাসেই এলপিজির সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য নির্ধারণ করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন।





