জবিতে কর্মসূচি পালনে নিষেধাজ্ঞাতেও কাটেনি শিক্ষার্থীদের উদ্বেগ

জবিতে কর্মসূচি পালনে নিষেধাজ্ঞাতেও কাটেনি শিক্ষার্থীদের উদ্বেগ

গত বৃহস্পতিবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) প্রশাসনের কাছে শিক্ষার্থীদের জন্য একটি অ্যাম্বুলেন্স দেয়। এরপর ৯ দফা দাবি নিয়ে উপাচার্যের কাছে স্মারকলিপি জমা দেয় জকসু। হামলার সুষ্ঠু বিচার এবং প্রক্টরের অপসারণের দাবিতে প্রশাসনকে তিন কার্যদিবসের আলটিমেটাম দিয়েছিল জকসু।

এদিন বেলা দুইটার দিকে উপাচার্যের কাছে স্মারকলিপি দেয় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল। তারা ক্যাম্পাসের পরিবেশ শান্ত ও স্থিতিশীল রাখার আহ্বান জানায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ শান্ত রাখার স্বার্থে সব সংগঠনের জন্য একই নিয়ম বজায় রাখার দাবি জানায় তারা।

বেলা আড়াইটার দিকে উপাচার্যকে পাঁচ দফা দাবিসংবলিত স্মারকলিপি দিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ছাত্রসংগঠন জাতীয় ছাত্রশক্তি। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত চিহ্নিত করা, আগামী ছয় মাসের মধ্যে ১ হাজার ৬০০ শিক্ষার্থীর অস্থায়ী আবাসন নিশ্চিত করা, সেনাবাহিনীর মাধ্যমে দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ বাস্তবায়ন এবং অছাত্রদের রাজনীতি নিষিদ্ধ করা।

এদিকে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক বক্তব্যের প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার ক্যাম্পাসের রফিক ভবনের নিচে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল।

সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন প্রথম আলোকে বলেন, পূর্বনির্ধারিত ঘোষণা অনুযায়ী সব ধরনের সভা-সমাবেশ, মিছিল নিষিদ্ধ থাকবে। একটি ছাত্রসংগঠনের ফল উৎসব ছিল, সেটি বাতিল করা হয়েছে।

নিরাপত্তাব্যবস্থা আগের মতোই থাকবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতি থাকবে। সবাইকে পরিচয়পত্র প্রদর্শন করে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ করতে হবে।