লোডশেডিংয়ে ভুগছে বেশি গ্রামের মানুষ, জ্বালানি–ঘাটতিসহ আরও যেসব কারণ

লোডশেডিংয়ে ভুগছে বেশি গ্রামের মানুষ,  জ্বালানি–ঘাটতিসহ আরও যেসব কারণ

ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৪ (সদর দপ্তর) মহাব্যবস্থাপক গোলাম কাউসার তালুকদার বলেন, কেরানীগঞ্জে বিদ্যুতের চাহিদা রয়েছে ২৪০ মেগাওয়াট। প্রতিদিন প্রায় ৮০ মেগাওয়াট ঘাটতি থাকছে।

নীলফামারী জেলা সদরের টুপামারী ইউনিয়নের দোগাছি গ্রামের বাসিন্দা সাদ্দাম আলী বলেন, ‘কয়েক দিন ধরি যে গরম পইচ্ছে, তাতে কাজ কাম করা কঠিন হইছে। তার উপর যোগ হইছে বিদ্যুতের লোডশেডিং। একবার গেইলে আইসার কোনো ঠিক ঠিকানা নাই।’

ডোমার উপজেলা নেসকোর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নওশাদ আলী বলেন, প্রয়োজনের তুলনায় অর্ধেক বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে। এ কারণে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ১০ ঘণ্টাও বিদ্যুৎ পাচ্ছেন না গ্রাহক।

[প্রতিবেদনে তথ্য দিয়ে সহায়তা করেছেন নিজস্ব প্রতিবেদক, বগুড়া ও হবিগঞ্জ; প্রতিনিধি, কেরানীগঞ্জ, নীলফামারী, ফেনী, নেত্রকোনা, পঞ্চগড়]