ঝুঁকি জানা, তবু একই ধরনের দুর্ঘটনা
জাহাজভাঙা শিল্পের দুর্ঘটনার তথ্য নিয়মিত সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করে বিলস। তাদের তথ্য বলছে, দুর্ঘটনার ধরন ভিন্ন হলেও ঝুঁকির অনেকগুলোই দীর্ঘদিন ধরে চিহ্নিত। ২০১৭ সালের ১৪ নভেম্বর ওপর থেকে পড়ে খলিলুর রহমান নামের এক শ্রমিক মারা যান। ২০২৩ সালে বৈদ্যুতিক কাজ করতে গিয়ে বাবু নামের এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়।
চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে ২৮টি দুর্ঘটনার তথ্য সংগ্রহ করেছে বিলস। এসব ঘটনায় তিনজন মারা গেছেন। ভারী গার্ডার বা অন্য বস্তু পড়ে নয়টি দুর্ঘটনা ঘটেছে। ক্রেন, হুক ও তারের সঙ্গে সম্পর্কিত দুর্ঘটনা আটটি। আগুন ও দগ্ধ হওয়ার ঘটনা পাঁচটি। বিষাক্ত গ্যাসে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনাও রয়েছে। সংস্থাটি অনিরাপদ কর্মপদ্ধতি, ত্রুটিপূর্ণ কর্মপরিবেশ, ব্যক্তিগত সুরক্ষাসামগ্রীর ঘাটতি, দুর্বল তদারকি ও পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের অভাবকে ঝুঁকির কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
শ্রমিক, শ্রমিকনেতা ও বেসরকারি সংস্থাগুলোরও অভিযোগ, অনেক ইয়ার্ডে প্রয়োজনমতো হেলমেট, গ্লাভস, নিরাপত্তা জুতা, চোখ ও মুখ রক্ষার সরঞ্জাম পাওয়া যায় না। কোথাও এসব সরঞ্জাম থাকলেও নিয়মিত ব্যবহার নিশ্চিত করা হয় না।



