ইফতেখারুল ইসলাম বলেন, রাজশাহীর জেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে গঠিত কমিটি আলু সংরক্ষণের জন্য বস্তাপ্রতি প্রথম পাঁচ কেজি বাদ দিয়ে অবশিষ্ট আলুর প্রতি কেজির ভাড়া ৫ টাকা নির্ধারণের সুপারিশ করেছে। রাজশাহীর ভৌগোলিক ও সংরক্ষণ ব্যয়ের বাস্তবতা বিবেচনায় এ ভাড়াকেই যৌক্তিক বলে মনে করছেন তাঁরা।
জেলা আলু ও কাঁচামাল ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক আরও বলেন, দেশের ২৬টি আলু উৎপাদনকারী জেলার সুপারিশ বিবেচনা করে জাতীয় পর্যায়ে গড় ভাড়া ৫ টাকা ২০ পয়সা নির্ধারণের প্রস্তাব এসেছে। রাজশাহীর ক্ষেত্রে জেলা কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী ভাড়া ৪ টাকা ৬০ পয়সা হওয়া উচিত। তবে জাতীয় স্বার্থে তাঁরা ৫ টাকা ২০ পয়সা পর্যন্ত ভাড়া মেনে নিতে প্রস্তুত। এর বেশি ভাড়া নির্ধারণ করা হলে তা তাঁরা মেনে নেবেন না।
আগামীকাল ঢাকার খামারবাড়িতে জাতীয় পর্যায়ের ভাড়া নির্ধারণ কমিটির সভা হওয়ার কথা রয়েছে বলে জানান ইফতেখারুল ইসলাম। তিনি জানান, ওই সভায় যৌক্তিক সিদ্ধান্ত না এলে রাজশাহীর কৃষক ও ব্যবসায়ীরা জেলা কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী সর্বোচ্চ ৫ টাকা ভাড়া বাস্তবায়নের দাবি জানাবেন।


