ফুলবাড়ীর ‘কয়লা বিক্রি’ থামায়নি এশিয়া এনার্জি

জ্বালানি বিভাগের সূত্র বলছে, ফুলবাড়ী কয়লাখনি নিয়ে একটি সমীক্ষা ও কর্মপরিকল্পনার (কয়লা উত্তোলন) জন্য ২০০৪ সালের ২৮ জানুয়ারি জ্বালানি বিভাগের প্রতিষ্ঠান খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরোর (বিএমডি) কাছ থেকে দুই বছরের অনুমোদন (লাইসেন্স) পেয়েছিল এশিয়া এনার্জি। ওই অনুমোদনের মেয়াদ শেষ হয়েছে ২০০৬ সালের ২৭ জানুয়ারি। তবে এশিয়া এনার্জির ঢাকা কার্যালয়ের দুজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করে দাবি করেন, তাঁরা প্রতিবছর লাইসেন্স ফি ও কার্যক্রমের প্রতিবেদন জমা দিচ্ছেন বিএমডির কাছে।

২০০৪ সালে অনুমোদন পাওয়ার পর উন্মুক্ত খনন পদ্ধতিতে ফুলবাড়ীতে কয়লা উত্তোলনের চেষ্টা করে এশিয়া এনার্জি। উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কয়লা উত্তোলনের ও কয়লা রপ্তানির বিরোধিতা করে তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি আন্দোলন শুরু করে। ২০০৬ সালের ২৬ আগস্ট ফুলবাড়ীতে খনি এলাকায় সমাবেশ ডাকা হয়। সমাবেশে তৎকালীন বিডিআরের (বর্তমানে বিজিবি) গুলিতে স্থানীয় তিন ব্যক্তি নিহত হন। আহত হন দুই শতাধিক।

এরপর পরিস্থিতি সামাল দিতে তেল-গ্যাস কমিটির সঙ্গে চুক্তি করে তৎকালীন সরকার। এ চুক্তির অন্যতম শর্ত ছিল এশিয়া এনার্জিকে দেশ থেকে বহিষ্কার ও তাদের বিচার, উন্মুক্ত খনন পদ্ধতিতে কয়লা উত্তোলন না করা।

প্রতিবছর ২৬ আগস্ট ফুলবাড়ী দিবস পালিত হয়।