১৯৯৭ সালে প্রথম প্রকাশিত ‘রিচ ড্যাড পুওর ড্যাড’ বইটিই কিয়োসাকিকে বিশ্বজুড়ে পরিচিত করে। বইটিতে তাঁর নিজের বাবা ‘পুওর ড্যাড’ এবং তাঁর বন্ধুর বাবা ‘রিচ ড্যাড’-এর আর্থিক চিন্তাধারার তুলনা করা হয়েছে। বইটি এখন পর্যন্ত ৪ কোটি ৪০ লাখের বেশি কপি বিক্রি হয়েছে এবং অনূদিত হয়েছে অন্তত ৪৩টি ভাষায়।
তবে কিয়োসাকির ব্যবসায়িক জীবনও সব সময় মসৃণ ছিল না। ২০১২ সালে তাঁর ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত রিচ গ্লোবাল এলএলসি আদালতের ২ কোটি ৩৭ লাখ ডলারের রায়ের পর দেউলিয়াত্বের জন্য আবেদন করে। এই দেউলিয়াত্বের আবেদন ছিল কোম্পানিটির, কিয়োসাকির ব্যক্তিগত নয়।
তাই কিয়োসাকির ১২০ কোটি ডলারের ঋণের গল্প আদতে ‘তিনি ১২০ কোটি ডলার দেনায় ডুবে আছেন’—এমনটা নয়। বরং এটি তাঁর বহুদিনের সেই আর্থিক দর্শনেরই বড় উদাহরণ, যেখানে অন্যের টাকা ধার করে আয়ের উৎস সৃষ্টিকারী সম্পদ কেনা এবং সেই সম্পদ দিয়ে ঋণ পরিশোধ করাকেই সম্পদ তৈরির কৌশল হিসেবে দেখা হয়।
তবে এই কৌশলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সারমর্ম কিয়োসাকি নিজেই বলেছেন। এটিকে তাঁর সতর্কতাও বলতে পারেন। কী সেটি? কিয়োসাকি বলেছেন, অন্যের কৌশল দেখে হুবহু অনুসরণ করার আগে নিজের আর্থিক জ্ঞান ও ঝুঁকি বোঝার ক্ষমতা তৈরি করা জরুরি।
সূত্র: ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস টাইমস ইউকে ও ভ্যানিটি ফেয়ার


