কেন ফিরছে সিডি? আর কেনই–বা এটি সবচেয়ে টেকসই?
অন্যান্য অনেক কিছুর মতো সিডি জনপ্রিয় হওয়ার পেছনেও আংশিক অবদান কে–পপ ব্যান্ড বিটিএসের। তাদের অ্যালবাম বাজারে আসার পর লাখ লাখ সিডি বিক্রি হয়। তবে শুধু বিটিএস বা কে–পপই নয়, এই সিডি বিক্রি বাড়ায় বড় ভূমিকা রাখছে জেনজি ও আজকের তরুণ প্রজন্ম। অবাক করার মতো বিষয় হলো, এই তরুণেরাই এখন ৯০-এর দশক বা তারও আগের গান সিডিতে শুনতে বেশি পছন্দ করছে।
সময় যেন এক বৃত্তের মতো ঘুরেফিরে একই জায়গায় আসে। প্রযুক্তি যতই সামনের দিকে এগিয়ে যাক না কেন, মানুষ ঠিকই অতীতের স্মৃতিতে ফিরে যেতে চায়। আর সিডির সবচেয়ে বড় শক্তি হলো এর অবিশ্বাস্য স্থায়িত্ব।
মহাবিশ্বের সবকিছুই সময়ের সঙ্গে ক্ষয়ে যায়। ভিনাইল রেকর্ড ব্যবহারের ফলে ক্ষয়ে যায়, আর ক্যাসেটের টেপ একসময় ধুলো হয়ে নষ্ট হয়। অন্যদিকে অনলাইনের গান তো স্পর্শই করা যায় না। ইন্টারনেট সমস্যা বা সাবস্ক্রিপশনের কারণে যেকোনো সময় পছন্দের গান গায়েব হয়ে যেতে পারে।
ঠিক এখানেই সিডি আলাদা। প্লেয়ারের লেজার রশ্মি কোনো ঘর্ষণ ছাড়াই সূক্ষ্ম কোড পড়ে গান বাজায়। তাই সিডি সহজে নষ্ট হয় না। যুগের পর যুগ নিখুঁত সাউন্ড কোয়ালিটি ধরে রাখে।
হাত থেকে পড়ে ভাঙা বা আঁচড় লাগা ছাড়া সিডির আসলে কোনো ক্ষয় নেই। এটি একবার বাজানো হোক কিংবা ১০ লাখ বার সিডির ভেতরের গানের মানের কোনো পরিবর্তন হবে না। মূলত বাস্তব অনুভূতির খোঁজে তরুণ প্রজন্ম আবার সিডির দিকে ঝুঁকছে।


