গাজা, সুদান, ইউক্রেন, মিয়ানমার ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন সংঘাতের প্রসঙ্গ তুলে খলিলুর রহমান বলেন, আন্তর্জাতিক আইন এবং বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষার নীতি নির্বাচিতভাবে বা পক্ষপাতমূলকভাবে প্রয়োগ করা যাবে না।
যুদ্ধ ও দুর্যোগের মধ্যেও জাতিসংঘের মাঠপর্যায়ের কাজের প্রশংসা করেন তিনি। এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশের কক্সবাজারে থাকা রোহিঙ্গা শরণার্থীশিবির এবং হাইতিতে জাতিসংঘের মানবিক কার্যক্রমের উদাহরণ দেন।
প্রযুক্তির অপব্যবহার করে ইসলামোফোবিয়া, বর্ণবাদ ও বিদ্বেষমূলক বক্তব্য দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার বিষয়েও সতর্ক করেন খলিলুর রহমান। মানবাধিকার ও মানবিক মর্যাদা রক্ষায় এ ধরনের প্রবণতা মোকাবিলার আহ্বান জানান তিনি।


