
ঢাকা, ০৭ অক্টোবর-দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম আক্তারের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) গাজী নজরুল ইসলাম ও তার গাড়িচালক ওবায়দুরের জামিন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।
বুধবার পৌনে ৩টার দিকে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজক্ষের আইনজীবী মাহবুবুর রহমান। শুনানিতে আসামিপক্ষ গাজী নজরুলের জামিনের পক্ষে বাদীপক্ষিস্ট্রেট আরিফুল ইসলামের আদালত বাদীপক্ষের আপসনামা ও আসামিপক্ষের জামিন আবেদনের ওপর শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
বিষয়টি জানিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন অর রশিদ।
এদিন আদালতে এমপি নজরুলের জামিন চেয়ে শুনানি করেন আসামিপক্ষের আইনজীবী মাহবুবুর রহমান। শুনানিতে আসামিপক্ষ গাজী নজরুলের জামিনের পক্ষে বাদীপক্ষের আপসনামা এবং তার অসুস্থতার বিষয়টি তুলে ধরে জামিনের আবেদন করেন।
অন্যদিকে, রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন অর রশিদ জামিনের বিরোধিতা করে শুনানি করেন। তিনি বলেন, অনাপসযোগ্য ধারায় মামলা হওয়ায় আপস চাওয়া বেআইনি। তদন্ত শেষ হলে জানা যাবে, এটি আত্মহত্যা নাকি হত্যা। আপসনামায় থাকা আব্দুল হামিদ কোনো পক্ষ কি না, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি। বাদীসহ আব্দুল হামিদ মোড়লকে আটকের আবেদন জানান। তার জামিনও নামঞ্জুর করেন আদালত। তিনি বলেন, আপসের সুযোগ নেই। বাদী কেবল সংবাদদাতা। এ ধরনের মামলায় বাদীও আসামি হতে পারেন।
পরে আসামিপক্ষ থেকে বলা হয়, বাদীপক্ষ জামিনে আপত্তি না থাকলেও তদন্তে কোনো আপত্তি জানায়নি। তার স্ত্রী জামিন পেয়েছেন, তাই গাজী নজরুলকেও জামিন দেওয়া হোক।
ভাইরাল ভিডিও নিয়ে এমপি গাজী নজরুল ইসলামের ব্যাখ্যা: ওই নারী তার দ্বিতীয় স্ত্রী
এস এম/ ০৭ অক্টোবর ২০২৬
গাজী নজরুল কি জামিন পেয়েছেন?
না। ৭ অক্টোবর ২০২৬ ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তাঁর জামিন আবেদন ফের নামঞ্জুর করেছেন।
গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে কী মামলা হয়েছে?
তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা হয়েছে।
আপসের পরও কেন জামিন হয়নি?
আদালত মনে করেছেন, মামলার পরিস্থিতি ও তদন্তাধীন অবস্থার মধ্যে শুধু আপসনামার ভিত্তিতে জামিন দেওয়া হলে সমাজে বিরূপ প্রতিক্রিয়া ও ন্যায়বিচার সম্পর্কে বিরূপ ধারণা তৈরি হতে পারে।
মরিয়ম খাতুনের মরদেহ কবে উদ্ধার হয়?
২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সন্ধ্যায় ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
মামলায় আর কারা আসামি?
মামলায় গাজী নজরুল ইসলাম, তাঁর প্রথম স্ত্রী মাকসুদা ইসলাম এবং মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমানকে আসামি করা হয়েছে।




