ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের বাস্তবায়ন: শেরেবাংলা নগরে সরছে সচিবালয় – DesheBideshe

ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের বাস্তবায়ন: শেরেবাংলা নগরে সরছে সচিবালয় – DesheBideshe


ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের বাস্তবায়ন: শেরেবাংলা নগরে সরছে সচিবালয় – DesheBideshe

ঢাকা, ১১ অক্টোবর – রাজধানী ঢাকার প্রশাসনিক প্রশাসনিক পরিকাঠামোয় এক বড় ধরনের পরিবর্তনের সূচনা হতে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রত্যক্ষ নির্দেশনায় ঢাকার শতবছরের ঐতিহ্যবাহী আবদুল গনি রোডের বর্তমান সচিবালয় সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে শেরেবাংলা নগরে। একই সঙ্গে বিদ্যমান সচিবালয় চত্বরে পুরান ঢাকার নিম্ন আদালতগুলো স্থানান্তরের এক সমন্বিত পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার।

প্রস্তাবিত এই প্রকল্পের প্রাথমিক প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৪০৯ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ও অবকাঠামোগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে চলতি বছরের আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই নির্মাণকাজের আনুষ্ঠানিক ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করতে চায় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।

মাস্টারপ্ল্যান ও বাস্তবায়নের পর্যায়ক্রম

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে আয়োজিত উচ্চপর্যায়ের এক বৈঠকে সচিবালয় স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত গ্রহণের পর ইতোমধ্যেই প্রকল্প প্রস্তাবনা (ডিপিপি) তৈরির কাজ জোরকদমে এগোচ্ছে:

বাস্তবায়ন সময়সীমা: চলতি বছরের নভেম্বর থেকে শুরু হয়ে ২০২৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত চার বছর মেয়াদে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের কথা রয়েছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের এডিপিতে (ADP) প্রকল্পটি অন্তর্ভুক্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর সামনে ৩টি বিকল্প নকশা: স্থাপত্য অধিদপ্তর ইতোমধ্যেই নতুন সচিবালয় কমপ্লেক্সের ৩টি বিকল্প নকশা প্রস্তুত করে প্রধানমন্ত্রীর সামনে পেশ করেছে। গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া পর্যবেক্ষণ ও দিকনির্দেশনা অনুযায়ী চূড়ান্ত লে-আউট চূড়ান্ত করা হচ্ছে।

প্রথম ধাপে স্থানান্তর: আগামী তিন বছরের মধ্যে প্রথম ধাপে বেশ কয়েকটি প্রধান মন্ত্রণালয়কে নতুন ভবনে স্থানান্তরের লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয়েছে।

দূর হবে যানজট, গতি পাবে সেবা

আবদুল গনি রোডের বর্তমান সচিবালয় প্রাঙ্গণটি অত্যন্ত ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় অবস্থিত হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে সেখানে স্থানসংকুলান সংকট ও মারাত্মক যানজটের সৃষ্টি হচ্ছিল। শেরেবাংলা নগরে সম্পূর্ণ সুপরিকল্পিত ও পরিবেশবান্ধব সচিবালয় কমপ্লেক্স নির্মিত হলে সরকারি দাপ্তরিক কাজের গতি বহুগুণ বাড়বে।

অন্যদিকে, পুরান ঢাকার ঘিঞ্জি পরিবেশে নিম্ন আদালতের স্থান সংকুলান ও বিচারপ্রার্থীদের দুর্ভোগ নিরসনে বর্তমান সচিবালয়ের বিশাল চত্বরটি অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখবে। একনেক (ECNEC) সভায় চূড়ান্ত অনুমোদন পাওয়ার পরই এই প্রকল্পের নির্মাণকাজ দ্রুত শুরু হবে।

এনএন/ ১১ অক্টোবর ২০২৬