বিআইডিএসের মহাপরিচালক অধ্যাপক এ কে এনামুল হকের সভাপতিত্বে সংলাপে গ্রামীণ ঋণবাজারের পরিবর্তন, প্রাণিসম্পদ খাতে অর্থায়ন, শহুরে খাদ্য বিক্রেতাদের জন্য আর্থিক পণ্য এবং কৃষিভিত্তিক ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগের অর্থায়ন নিয়ে আলোচনা হয়।
অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিআইডিএসের গবেষণা পরিচালক কাজী ইকবাল। এতে তিনি জানান, গ্রাম এলাকায় প্রতি চারটি ঋণের তিনটি নেওয়া হয় বিভিন্ন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা থেকে। ২০১০ সালে গ্রামে ৪ দশমিক ৭ শতাংশ পরিবার ব্যাংক থেকে ঋণ নিত। ২০২২ সালে তা কমে হয়েছে ২ দশমিক ৯ শতাংশে। অর্থাৎ ব্যাংক থেকে পরিবারগুলোর ঋণ নেওয়া কমেছে।
কৃষিঋণ কোন কোন কাজে ব্যয় করা হয়, সেটিও উপস্থাপনায় তুলে ধরা হয়। এতে দেখা যায়, ২০১০ সালে সারের পেছনে ব্যয় হতো ঋণের ৪৪ শতাংশ, যা ২০২২ সালে বেড়ে হয় ৫৬ শতাংশ।
আবার এখন ঋণ পরিশোধের চাপও বেড়েছে। ৪১ শতাংশ ঋণ গ্রহণকারী পরিবার তাদের মাসিক আয়ের ৪০ শতাংশ কিস্তি পরিশোধে ব্যয় করে। ২০১০ সালে এমন ঋণগ্রহীতার হার ছিল ২২ শতাংশ। এ ছাড়া ৩৩ শতাংশ পরিবারের দুটি বা এর বেশি ঋণ রয়েছে।




