এই নির্দেশনা অমান্য করে কোচিং সেন্টার চালু থাকলে অভিযান চালানো হবে জানিয়ে জেলা প্রশাসক বলেন, কোচিং সেন্টার নিয়ে বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ আছে। বিশেষ করে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের কোচিংয়ের জন্য অগ্রিম টাকা নেওয়ার পর তা ফেরত না দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। এসব বিষয়েও পর্যায়ক্রমে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গণবিজ্ঞপ্তিটি বাস্তবায়নে পুলিশ সুপার, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।




