দেশে উচ্চশিক্ষিত তরুণদের ২৯ শতাংশ বেকার, অর্ধেকের যোগ্যতা পুরোপুরি কাজে লাগছে না

দেশে উচ্চশিক্ষিত তরুণদের ২৯ শতাংশ বেকার, অর্ধেকের যোগ্যতা পুরোপুরি কাজে লাগছে না

যোগ্যতার সঙ্গে কাজের মিল নেই

বাংলাদেশে বর্তমানে শুধু চাকরি না পাওয়াই সমস্যা নয়। চাকরি পেলেও অনেকের কাজ তাঁদের শিক্ষাগত যোগ্যতার সঙ্গে মিলছে না।

আইএমএফের প্রতিবেদনমতে, বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষিত কর্মীদের প্রায় ৫০ শতাংশ এমন চাকরিতে আছেন, যে কাজের জন্য তাঁদের পর্যায়ের শিক্ষাগত যোগ্যতা প্রয়োজন হয় না। অর্থাৎ তাঁরা নিজেদের যোগ্যতার তুলনায় কম দক্ষতার কাজে যুক্ত।

আন্তর্জাতিক আর্থিক সংস্থাটির মতে, চাকরিপ্রার্থীদের দক্ষতা ও নিয়োগদাতাদের চাহিদার মধ্যে অমিল বেকারত্বের অন্যতম কারণ। বিশেষ করে সদ্য স্নাতক হওয়া তরুণ–তরুণীরা কর্মবাজারে প্রবেশের সময় এ সমস্যায় বেশি পড়েন। নিয়োগদাতারা যে ধরনের দক্ষতা চান, অনেক চাকরিপ্রার্থীর তা নেই। ফলে উপযুক্ত চাকরি পেতে তাঁদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়। একপর্যায়ে অনেকে এমন কাজ করতে বাধ্য হন, যেখানে তাঁদের অর্জিত শিক্ষা ও দক্ষতা পুরোপুরি কাজে লাগে না।

প্রতিবেদনে শ্রমবাজারে অনানুষ্ঠানিক কাজের আধিক্যের বিষয়টিও তুলে ধরা হয়েছে। আইএমএফ বলছে, এশিয়ার অনেক দেশে কৃষিসহ অনানুষ্ঠানিক খাতে চাকরির নিরাপত্তা কম। আনুষ্ঠানিক চুক্তি ও পেশাগত উন্নতির সুযোগও সীমিত। তাই শুধু প্রচলিত বেকারত্বের হার দিয়ে শ্রমবাজারের পুরো দুর্বলতা বোঝা যায় না।