শাহজালালের মাজারের দানবাক্স ও ডেগ খুলে মিলল প্রায় ৮৯ লাখ টাকা, সোনা-রুপা ও বৈদেশিক মুদ্রা – DesheBideshe

শাহজালালের মাজারের দানবাক্স ও ডেগ খুলে মিলল প্রায় ৮৯ লাখ টাকা, সোনা-রুপা ও বৈদেশিক মুদ্রা – DesheBideshe


শাহজালালের মাজারের দানবাক্স ও ডেগ খুলে মিলল প্রায় ৮৯ লাখ টাকা, সোনা-রুপা ও বৈদেশিক মুদ্রা – DesheBideshe

সিলেট, ২৪ অক্টোবর – সিলেটের আধ্যাত্মিক সাধক হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারের তিনটি বড় ডেগ ও পাঁচটি দানবাক্স খুলে নগদ ৮৮ লাখ ৬৫ হাজার ৬০৮ টাকা পাওয়া গেছে। এর পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ সোনা, রুপা এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বৈদেশিক মুদ্রাও উদ্ধার করা হয়েছে।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) সন্ধ্যায় মাজারের দানবাক্স ও ডেগ খোলার পর গণনা শেষে এসব প্রাপ্ত হিসাব আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন সিলেটের জেলা প্রশাসক আবদুল্লাহ আল মামুন।

সোনা, রুপা ও বৈদেশিক মুদ্রার বিবরণ

মাজারের দানবাক্স ও ডেগ থেকে নগদ টাকার পাশাপাশি বিভিন্ন মূল্যবান সামগ্রী পাওয়া গেছে:

সোনা ও রুপা: গণনায় ১ ভরি সাড়ে ৮ আনা সোনা এবং ৩ ভরি ১৩ আনা রুপা পাওয়া গেছে।

বৈদেশিক মুদ্রা: ১৪ পাউন্ড, ৭,৬৪৭ ভারতীয় রুপি, ২০ থাই বাথ, ৯৩ সৌদি রিয়াল, ১১ মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত, ২৯ মার্কিন ডলার, ১,৩৫০.৫০ ওমানি বাইসা, ৬৫ আমিরাতি দিরহাম, ১৫ মালদ্বীপের রুপি, ১৭ কাতারি রিয়াল, ৭ ইউরো ৩৩ সেন্ট, ১০০ বাহরাইনি পয়সা, ১০ হংকং ডলার, ১ ব্রুনাই ডলার, ৫৫ নেপালি রুপি, ১০০ পাকিস্তানি রুপি, ৫০ রুশ রুবল এবং ৫০০ শ্রীলঙ্কান রুপি।

আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও নতুন নিয়ম

মাজারের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে গত ২৩ সেপ্টেম্বর একটি নতুন কমিটি গঠিত হয়। কমিটির সভাপতি ও বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির মাজারের অর্থ ব্যবহারের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেন।

সিদ্ধান্ত অনুযায়ী:

  • মাজারের মোট আয়ের ৩৫ শতাংশ এর উন্নয়নকাজে ব্যয় করা হবে।
  • বাকি ৬৫ শতাংশ অর্থ অন্যান্য আনুষঙ্গিক খরচ মেটাতে ব্যবহার করা হবে।

প্রসঙ্গত, এর আগেও গত ২২ জুন, ১১ জুলাই, ১৫ আগস্ট এবং ১৯ সেপ্টেম্বর মাজারের ডেগ ও দানবাক্স খোলা হয়েছিল। গণনা করা সমস্ত অর্থ জেলা প্রশাসকের ব্যবস্থাপনায় সদ্য চালু হওয়া একটি বিশেষ ব্যাংক হিসাবে নিরাপদে জমা রাখা হচ্ছে।

এনএন/ ২৪ অক্টোবর ২০২৬