সিনেমাটির কিছু দৃশ্য নিয়ে সমালোচনার যৌক্তিকতাও স্বীকার করেন তিনি। তাঁর ভাষায়, ‘এটা কি সমস্যাজনক ছিল? নারীর চরম অবমাননা ছিল? এমনকি গল্পের মধ্য দিয়ে যৌন সহিংসতাকে প্রশ্রয় দেওয়া হয়েছিল? হ্যাঁ।’
ভবিষ্যতে যেন এমন ঘটনা আর না ঘটে, সেটিই এখন তাঁর লক্ষ্য বলে জানান অভিনেত্রী।
তবে শুটিংয়ের সময় একজন অভিনেতা যে সব ক্ষেত্রে নিজের মতো করে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না, সে কথাও উল্লেখ করেন জাহ্নবী। পরিচালকের নির্দেশ মেনে চলাকে পেশাদারত্বের অংশ হিসেবে দেখার চাপ থাকে বলে জানান তিনি। যদিও নিজের দায় এড়িয়ে যাওয়ার জন্য বিষয়টি বলছেন না, সেটিও স্পষ্ট করেন।
জাহ্নবী বলেন, ‘পরিচালক যা বলেন, অনেক সময় মনে হয় পেশাদার থাকতে হলে সেটাই মেনে চলতে হবে। পরিচালকের কথা শুনতে হবে।’
এ ছাড়া চিত্রনাট্যে সব সময় দৃশ্যের পূর্ণাঙ্গ উপস্থাপন বোঝা যায় না বলেও জানান তিনি। বিশেষ করে ক্যামেরার কোণ, দৃশ্য ধারণের ধরন কিংবা পর্দায় শেষ পর্যন্ত কোনো দৃশ্য কেমন দেখাবে, তা আগে থেকে সব সময় স্পষ্ট থাকে না। পরিস্থিতি সম্পর্কে যতটুকু জানতে পেরেছেন, সেই অনুযায়ী দৃশ্যগুলোকে কম সমস্যাজনক করার চেষ্টা করেছিলেন বলে জানান তিনি।




