বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, স্বাস্থ্যকর উদ্ভিজ্জ খাদ্যাভ্যাস দীর্ঘমেয়াদি কিছু রোগের ঝুঁকি কমানোর সঙ্গে সম্পর্কিত। ২০২৩ সালের একটি মেটা-অ্যানালাইসিসে স্বাস্থ্যকর উদ্ভিদভিত্তিক খাবারের সঙ্গে টাইপ-২ ডায়াবেটিস, হৃদ্রোগ এবং সব কারণে মৃত্যুর তুলনামূলক কম ঝুঁকির সম্পর্ক পাওয়া গেছে। গবেষণাটিতে ঝুঁকি কমার হার যথাক্রমে প্রায় ১৮, ১০ ও ১৬ শতাংশ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এগুলো পর্যবেক্ষণভিত্তিক সম্পর্কের ফল; শুধু উদ্ভিদভিত্তিক খাবার খাওয়ার কারণেই এই পরিবর্তন ঘটে, এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় না।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে শাকসবজি, ফল, ডাল, বাদাম ও পূর্ণশস্য খাওয়ার ওপর গুরুত্ব দেয়।
এর অন্যতম কারণ খাদ্য-আঁশ। ডাল, শাকসবজি, ফল ও পূর্ণশস্যে থাকা আঁশ অন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যক্রমে সহায়তা করে, পেট ভরা রাখে এবং রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখতে পারে। কিছু ধরনের দ্রবণীয় আঁশ এলডিএল বা ক্ষতিকর কোলেস্টেরল কমাতেও সাহায্য করে। অন্ত্রের উপকারী অণুজীব আঁশ গাজন করে স্বল্প-শৃঙ্খল ফ্যাটি অ্যাসিড তৈরি করে, যা অন্ত্রের স্বাস্থ্যে ভূমিকা রাখে। অন্যদিকে শাকসবজি ও ফলে থাকা পটাশিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করতে পারে।




