
তিনি যে চিরকালের রাজা সেটা বারবার প্রমাণ করেছেন শাহরুখ খান। ‘জিরো’ ছবির ব্যর্থতার পর কয়েক বছর তিনি নিজেকে সরিয়ে রেখেছিলেন বড় পর্দা থেকে। এরপর যখন তিনি কামব্যাক করেন তখন আবার নিজেকে প্রমাণ করেন একজন রাজা হিসেবে।
‘পাঠান’ হোক বা ‘জওয়ান’, বুড়ো হাড়ের ভেলকি দেখিয়ে কোটি কোটি মানুষকে মুগ্ধ করেছিলেন কিং খান। এবার পালা ‘কিং’ ছবির।
দক্ষিণের বড় বড় প্রযোজনা সংস্থাগুলো তাদের সর্বভারতীয় ছবি দিয়ে ভারতীয় বাজার জয় করলেও বিদেশের মাটিতে এখনো রাজা শাহরুখ খানই। সম্প্রতি একটি প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, ‘কিং’ ছবির বিদেশি প্রেক্ষাগৃহের স্বত্ব কেনা হয়েছে ১৭৫ কোটি টাকার বিনিময়ে, যেটি নিঃসন্দেহে ভারতীয় সিনেমার জন্য একটি নতুন রেকর্ড।
এই প্রথম কোন ভারতীয় সিনেমার বিদেশি স্বত্বের দাম ১০০ কোটি টাকার গণ্ডি পেরিয়েছে। এই ছবির আন্তর্জাতিক ডিস্ট্রিবিউশনের দায়িত্ব রয়েছে ফারাস ফিল্মস, যে সংস্থা ১৭৫ কোটি টাকা, যেটি বিদেশি মূল্যে ১৮ মিলিয়ন ডলারের বিনিময়ে শাহরুখের রেড চিলিস ইন্টারটেইনমেন্ট-এর কাছ থেকে শাহরুখের আগামী ছবির স্বত্ব কিনেছে।
তবে এর আগে শাহরুখের ছবির আন্তর্জাতিক ডিস্ট্রিবিউশনের দায়িত্বে থাকতো যশ রাজ ফিল্মস। এবার সেই দায়িত্ব পেয়েছে ফারস ফিল্মস। এর আগে প্রভাস অভিনীত ‘সাহো’ সিনেমার বিদেশি ডিস্ট্রিবিউশনের দায়িত্ব সামলেছিল এই সংস্থা। তবে এখানেই শেষ নয়। আন্তর্জাতিক বক্স অফিসে ভারতীয় মুদ্রায় ৩৫০ থেকে ৩৭৫ কোটি টাকার ব্যবসা করতে হবে শাহরুখের ছবিকে, তবেই গত দুটি ছবির রেকর্ড ভাঙতে পারবে এই ‘কিং’।
খুব স্বাভাবিকভাবেই শাহরুখের কাছে এটি অনেক বড় চ্যালেঞ্জ কারণ শাহরুখের ‘জওয়ান’ এবং ‘পাঠান’ এই দুটি ছবি আন্তর্জাতিক বাজারে প্রায় ৪০০ কোটি টাকার কাছাকাছি ব্যবসা করেছিল। তাই এবারে শাহরুখের লড়াই নিজের সঙ্গেই। তবে অনেকেই আশাবাদী গত রেকর্ড খুব সহজেই ভাঙতে পারবেন শাহরুখ।
‘কিং’ ছবিতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন শাহরুখ খান এবং এটি পরিচালনা করেছেন সিদ্ধার্থ আনন্দ। ২০২৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘পাঠান’-এর পর এই ছবির মাধ্যমে সিদ্ধার্থের সঙ্গে শাহরুখের দ্বিতীয় কাজ।
আরও পড়ুন
পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…




