ট্রাক্টর নিয়ে পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠে শেকৃবি শিক্ষার্থীরা, অস্থায়ী স্থাপনা ভাঙচুর

ট্রাক্টর নিয়ে পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠে শেকৃবি শিক্ষার্থীরা, অস্থায়ী স্থাপনা ভাঙচুর

অন্যদিকে মাঠের কাছের বাংলাদেশ–চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের সামনে সকাল থেকে অবস্থান করছিলেন পুলিশের সদস্যরা। তবে ভাঙচুরের সময় শিক্ষার্থীদের কোনো বাধা দেওয়া হয়নি।

‎আন্দোলনরত শেকৃবির কৃষি অনুষদের (এগ্রিকালচারাল ফ্যাকাল্টি) শিক্ষার্থী মাইশা আফরোজ প্রথম আলোকে বলেন, এই এলাকাটি শহরের একটি প্রধান কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত। এর ঠিক পাশেই শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ, হৃদরোগ ইনস্টিটিউট, কিডনি হাসপাতাল ও নিউরোসার্জারি হাসপাতাল রয়েছে। এখানে সচিবালয় স্থানান্তর করা হলে কিংবা মেলার কার্যক্রম চললে কৃষি গবেষণার পাশাপাশি পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হবে। ফার্মগেট ও বিজয়সরণিসংলগ্ন ব্যস্ত সড়কে যানজট সৃষ্টি হয়ে রোগীদের যাতায়াত ব্যাহত হবে। সার্বিক পরিবেশ বিনষ্ট হবে।

‎মেলার স্থাপনা ভাঙচুরের বিষয় জানতে চাইলে মাইশা বলেন, ‘আমরা লিখিতভাবে চিঠি দিয়ে মেলার কাজ বন্ধের দাবি জানিয়েছিলাম। তিন দিনের আল্টিমেটাম দিয়েছিলাম। কিন্তু আমাদের কথা না শুনে নতুন করে স্টল বসিয়ে মেলার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। বাধ্য হয়েই আমরা সরাসরি মাঠে এসে অবস্থান নিয়েছি, যেন মেলা বন্ধ হয়, আমাদের গবেষণা মাঠ আমাদের ফিরিয়ে দেওয়া হয়।’