
বড়পর্দায় দেখা যাবে নতুন রসায়ন! মুক্তি পেতে যাচ্ছে অভিনেতা আবদুন নূর সজল ও চিত্রনায়িকা অধরা খান অভিনীত প্রথম সিনেমা ‘ঋতুকামিনী’। জাহিদ হোসেন পরিচালিত এই সিনেমার শুটিং শুরু হয়েছিল দুই বছর আগে। সেন্সর ছাড়পত্রও পেয়েছিলেন নির্মাতা।
কিন্তু মুক্তির কোনো খবর পাওয়া যাচ্ছিল না। এবার সিনেমাটি বিজয়ের মাস ডিসেম্বরে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে যাচ্ছে। নির্মাতা জানান, বিজয়ের মাসে অর্থাৎ আগামী ডিসেম্বরে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে ঋতুকামিনী। চলতি মাসেই মুক্তির তারিখ ও মুক্তির সময় আগে আনুসাঙ্গিক প্রস্তুতি সম্পন্ন হবে।
‘ঋতুকামিনী’ সিনেমা নির্মিত হয়েছে গ্রামীণ প্রেক্ষাপটে। এতে উঠে আসবে সামাজিক অবক্ষয়, অনৈতিকতা, পারিবারিক নানা প্রতিবন্ধকার গল্প। এটি সজল-অধরা জুটির প্রথম সিনেমা। সিনেমায় সজল অভিনয় করেছেন জামাল চরিত্রে। তার চরিত্রটি আগের অভিনীত চরিত্রগুলোর চেয়ে আলাদা। এখানে তাকে দেখা যাবে গ্রামের এক বখাটে যুবকের ভূমিকায়।
অন্যদিকে অধরা খান অভিনয় করেছেন কুমকুম চরিত্রে। গ্রামের সহজ-সরল একটি মেয়ে কুমকুম। চরিত্রটিতে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে নিজেকে ভিন্নভাবে উপস্থাপনের সুযোগ পেয়েছেন অধরা। আরও অভিনয় করেছেন ফজলুর রহমান বাবু, দীপা খন্দকার, রিনা খান প্রমুখ।
সিনেমাটি প্রসঙ্গে আব্দুন নূর সজল বলেন, ঋতুকামিনী সিনেমায় দর্শক সমাজের এমন একটি চিত্র দেখতে পাবেন, যা হয়তো সবাই দেখে, কিন্তু এ নিয়ে কথা বলে না। আশা করছি দর্শকের ভালো লাগবে।’
অধরার কাছে ঋতুকামিনী সিনেমাটি বেশ কয়েকটি কারণে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। তিনি জানান, নির্মাতা জাহিদ হোসেনকে একজন দক্ষ চলচ্চিত্রকার হিসেবে উল্লেখ করেছেন। পাশাপাশি, প্রথমবারের মতো গ্ল্যামারবিহীন একটি চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পাওয়াকেও তিনি বিশেষ অভিজ্ঞতা হিসেবে দেখছেন।
এ ছাড়া প্রথমবারের মতো অভিনেতা সজলের বিপরীতে অভিনয় করাও তার কাছে ছিল অন্যরকম অভিজ্ঞতা। অধরা জানান, এক অর্থে সজল তার ক্রাশও ছিলেন। অন্যদিকে, সিনেমায় তার পর্দার মায়ের চরিত্রে দীপা খন্দকারের অভিনয়ও প্রজেক্টটি তার কাছে আরও অর্থবহ করে তুলেছে।
অধরা খান বলেন, সিনেমাটির গল্প দারুণ। এতে নিজের চরিত্রটি ফুটিয়ে তুলতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। দর্শকদের ভালো লাগলেই আমার শ্রম স্বার্থক হবে।
আরও পড়ুন
পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…




