দোকানদার নীহার বিন্দু চাকমা জানান, তিনি রাতে দোকান বন্ধ করে পাড়ায় থাকেন। অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পেয়ে বাজারে পৌঁছার আগেই তাঁর দোকান পুড়ে শেষ হয়ে গেছে। গরু বিক্রি করে বিজু উৎসবের জন্য কাপড়চোপড়, প্রসাধনপণ্য ও চাল মজুত করে রেখেছিলেন। এখন গরুও শেষ, মালামালও শেষ হয়ে সর্বস্বহারা হয়েছেন। খাতাপত্র পুড়ে যাওয়ায় কার থেকে কত টাকা পাবেন, তা–ও জানা নেই।
এ বিষয়ে থানচি ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের কর্মকর্তা পেয়ার মোহাম্মদ বলেন, আগুন লাগার খবর পেয়ে তাঁরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নেভান। এই অগ্নিকাণ্ডে বলীপাড়া বাজারের ব্যবসায়ীদের পাঁচ থেকে ছয় কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে।



