নাম প্রকাশ না করার শর্তে ডিএসইর শীর্ষস্থানীয় একটি ব্রোকারেজ হাউসের শীর্ষ নির্বাহী জানান, ফ্লোর প্রাইস আরোপের আগে লেনদেনের কমিশন বাবদ প্রতিষ্ঠানটির প্রতিদিনের গড় আয় ছিল ২২ থেকে ২৫ লাখ টাকা। এখন তা কমে নেমে এসেছে ৮–১০ লাখ টাকায়। বাজারে লেনদেন যত কমে যায় ব্রোকারেজ হাউস ও স্টক এক্সচেঞ্জের লেনদেনের কমিশন আয়ও তত কমে।
শেয়ারবাজারে শেয়ার কেনাবেচা থেকে গড়ে ৩০ পয়সা কমিশন নেয় লেনদেনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো। সাম্প্রতিক সময়ে শেয়ারবাজারে লেনদেন কমে যাওয়ায় প্রতিষ্ঠানগুলোর কমিশন আয়ও গড়ে ৫০–৬০ শতাংশ কমে গেছে। ফ্লোর প্রাইসের কারণে শেয়ারবাজারের বেশির ভাগ শেয়ারেরই এখন কোনো লেনদেন হচ্ছে না। ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, গত সপ্তাহে বাজারে লেনদেন হওয়া ৪০০ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২৬১টি বা প্রায় ৬৫ শতাংশেরই কোনো লেনদেন হয়নি।
বাজারের বর্তমান পরিস্থিতিতে সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় রয়েছেন ঋণগ্রস্ত বিনিয়োগকারীরা। বেশি লাভের আশায় ভালো শেয়ারে ঋণ করে বিনিয়োগ করে অনেকে আটকে আছেন। না পারছেন শেয়ার বিক্রি করতে, না পারছেন কিনতে। কিন্তু দিন শেষে ঘুরছে সুদের চাকা। তাতে বসে বসে সুদ গুনতে হচ্ছে এসব বিনিয়োগকারীকে।



