১২৭ নম্বর ঘরে থাকতেন আবদুল রহিম। তিনি বলেন, ‘এখানে যাঁদের নামে ঘর দিয়েছে, তাঁরা তো বড়লোক। এখানে থাকেন না। আমরা এখানে আছি কিন্তু আমাদের নামে কোনো কাগজ হচ্ছে না।’ আর ৭১ নম্বর ঘরে বসবাস করা রুবি আক্তার বললেন, ‘দুই বছর ধরে এখানে আছি। কিন্তু আমরা এখনো ঘরের কাগজ পাই নাই। কবে পামু জানি না।’
সদর উপজেলার আকচা ইউপির চেয়ারম্যান সুব্রত কুমার বর্মন বলেন, কান্দরপাড়া আশ্রয়ণটি প্রত্যন্ত এলাকায়। সেখানের যোগাযোগব্যবস্থাও ভালো নয়। তা ছাড়া সেখানে দূরের বাসিন্দাদের ঘর দেওয়া হয়েছে। সেসব ঘরে বাসিন্দারা থাকছেন না।
জেলা প্রশাসক মাহবুবুর রহমান বলেন, আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরে কিছু লোক থাকেন না বলে শুনেছি। তাঁদের ঘরগুলো চিহ্নিত করে ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের লোকজনকে তুলে দেওয়া হচ্ছে। পরে তাঁদের ভূমির দলিলসহ ঘর হস্তান্তর করা হবে।



