অপ্রচলিত অর্থকরী ফসলের চাষ করতে হবে: কৃষিমন্ত্রী | বাণিজ্য

অপ্রচলিত অর্থকরী ফসলের চাষ করতে হবে: কৃষিমন্ত্রী | বাণিজ্য

<![CDATA[

দেশের কৃষিখাতকে আরও লাভজনক করতে হলে অপ্রচলিত অর্থকরী ফসলের চাষ করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক।

বৃহস্পতিবার (৬ এপ্রিল) সকালে রাঙামাটি জেলার নানিয়ারচর উপজেলার সাপছড়ি ও দ্বিচানপাড়ায় ভার্মি কম্পোস্ট, সূর্যমুখীর ক্ষেত, মাল্টা, আনারস, কাজুবাদাম ও কফি বাগান পরিদর্শন ও চাষিদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

 

মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, কৃষিকে আরও লাভজনক করতে হলে ধান, গম, শাকসবজিসহ প্রচলিত ফসলের পাশাপাশি দেশে কফি, কাজুবাদাম, গোলমরিচ, আনারস, আমসহ বিভিন্ন অপ্রচলিত অর্থকরী ফসলের চাষ করতে হবে।

 

আরও পড়ুন: পাহাড়ে চাষাবাদ বাড়াতে কাজ করছে সরকার: কৃষিমন্ত্রী

 

বর্তমান সরকার কৃষিকে আধুনিক ও লাভজনক করতে কাজ করছে জানিয়ে তিনি বলেন, কৃষি উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাত ও রফতানি বাড়াতে সমন্বিত কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এতে যান্ত্রিকীকরণ হচ্ছে কৃষি। আর কৃষিপণ্যের প্রক্রিয়াজাত বাড়ার পাশাপাশি বাড়ছে রফতানিও।

 

আর গতানুগতিক কৃষিকাজ করে মানুষের জীবনমানের পরিবর্তন হবে না। কৃষির আধুনিকায়নের মাধ্যমেই মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন সম্ভব বলে জানিয়েছেন আব্দুর রাজ্জাক।

 

ভিয়েতনাম কাজুবাদাম রফতানি করে বছরে ৪০ হাজার কোটি টাকা আয় করে উল্লেখ করে কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের দেশেও কাজুবাদাম উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাত করে ভিয়েতনামের মতো আয় করা সম্ভব। সে জন্য পাহাড়ের বিশাল এলাকায় এসব ফসলের চাষ আরও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দিতে হবে। সেই লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছে সরকার।’

 

আরও পড়ুন: আগামী বছর রাশিয়ায় রফতানি হবে দুই লাখ টন আলু: কৃষিমন্ত্রী

 

আর কফি-কাজু বললেই মানুষ পাহাড়কে চিনবে উল্লেখ করে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং বলেন, সিলেট ও মৌলভীবাজার যেমন চায়ের জন্য নামকরা, তেমনি কাজুবাদাম ও কফির জন্য পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা পরিচিত হয়ে উঠবে।

 

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন কৃষিসচিব ওয়াহিদা আক্তার, বিএআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. শেখ মো. বখতিয়ার, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের মহাপরিচালক বাদল চন্দ্র বিশ্বাস,  রাঙামাটি জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার প্রমুখ।

]]>