নারীদের প্রতিষ্ঠা করা মসজিদ ও মাদ্রাসা

নারীদের প্রতিষ্ঠা করা মসজিদ ও মাদ্রাসা

মক্কার প্রধান বিচারপতি ছিলেন শায়েখ শিহাবুদ্দিন তাবারি রাহিমাহুল্লাহ। তাঁর মেয়ে উম্মে হুসাইন রাহিমাহাল্লাহ ছিলেন একজন মুহাদ্দিসা ও ফক্বিহা।

উম্মে হুসাইন মক্কায় একটি এতিমখানা প্রতিষ্ঠা করেন, যাতে সেখানে এতিম ছেলেমেয়েরা থাকতে পারবে, খেতে পারবে, পড়াশোনা করতে পারবে। কাজটি যাতে নির্বিঘ্নে চলে, সে জন্য উম্মে হুসাইন মক্কা ও মক্কার বাইরে বহু সম্পত্তি ওয়াক্‌ফ করে যান।

মিসরের সুলতান নাসের মুহাম্মদ ইবনু মালিকের মেয়ে ৭৬১ হিজরিতে মিসরে মাদ্রাসাতুল হেজাজিয়্যাহ নামে একটি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন। মাদ্রাসায় একটি বড় গ্রন্থাগার ছিল। সেখানে গিয়ে মানুষ যাতে নির্বিঘ্নে জ্ঞানের সাধনা করতে পারেন, সে জন্য অসংখ্য বই ওয়াক্‌ফ করে রাখা হয়।

খলিফা নাসির লিদিনিল্লাহ আহমদের মায়ের নাম ছিল জামরাদ। তুর্কি বংশোদ্ভূত এই নারী একটি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন।

তুরকান বিনতে মালিক ছিলেন বাদশাহ আশরাফ মুসার স্ত্রী। তিনি সিরিয়ায় মাকামে জাবালে একটি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন। মাদ্রাসাটি তাঁর নামেই প্রসিদ্ধ ছিল। এই মাদ্রাসা প্রাঙ্গণেই তাঁকে দাফন করা হয়।

সুলতান সালাহুদ্দিন আইয়ুবি রাহিমাহুল্লার বোন ছিলেন রাবিয়া খাতুন রাহিমাহাল্লাহ। তিনিও সিরিয়ায় মাকামে জাবালে একটি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁকেও তাঁর প্রতিষ্ঠিত মাদ্রাসা–প্রাঙ্গণে দাফন করা হয়।

তাবুজ্জামান হাবশিয়্যাহ নামে খলিফা মুস্তাজি বিআমরিল্লাহ হাসানের একজন দাসী ছিলেন। তাবুজ্জামান হাবাশিয়্যাহ ৫৮০ হিজরিতে মক্কায় একটি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন।