বাড়িতে ঢুকে কলেজছাত্রীকে হত্যার ঘটনায় গৃহশিক্ষক এখনো গ্রেপ্তার হননি

বাড়িতে ঢুকে কলেজছাত্রীকে হত্যার ঘটনায় গৃহশিক্ষক এখনো গ্রেপ্তার হননি

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লার হোমনার শ্রীমদ্দি এলাকার বাসিন্দা আবদুর রউফ সালনা বাজারে একটি শোরুমে চাকরি করেন। সেখানেই সপরিবার বসবাস করেন। ছোট দুই মেয়ের কোরআন শিক্ষার জন্য সাইদুল ইসলামকে গৃহশিক্ষক হিসেবে রাখেন আবদুর রউফ। এর মধ্যে রাবেয়াকে বিয়ে করার জন্য সাইদুল তাঁর পরিবারের কাছে প্রস্তাব দেন। তবে রাবেয়ার পরিবার সেই প্রস্তাব না করে দেয়। সাইদুলকে বাসায় এসে পড়ানোর জন্য মানা করা হয়।

মামলা সূত্রে জানা যায়, সাইদুল সোমবার রাত সাড়ে আটটার দিকে বাসায় ঢুকে ছুরি দিয়ে রাবেয়ার মাথা, গলা, হাত ও পায়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করতে থাকেন। তাঁর চিৎকারে মা ও দুই বোন দৌড়ে রাবেয়ার ঘরে গিয়ে দেখে সাইদুল ছুরি দিয়ে তখনো রাবেয়াকে ছুরিকাঘাত করছেন। এ সময় বাধা দিলে ছুরি দিয়ে তিনি অন্যদেরও আঘাত করে পালিয়ে যান।

রাবেয়ার বাবা আবদুর রউফ বলেন, ‘সাইদুল আমাদের গৃহশিক্ষক ছিল। ছোট দুই মেয়েকে সে কোরআন পড়াত। সে আমার বড় মেয়েকে বিয়ে করার প্রস্তাব দিলে আমরা সরাসরি না করে দিই। যার কারণেই সে বাড়িতে ঢুকে আমার মেয়েকে কুপিয়ে হত্যা করেছে।’