অন্যান্যবারের মতো এবারও বিজেপির বিরুদ্ধে ভোটের প্রচারে সরাসরি ধর্মকে হাতিয়ার করার একাধিক অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগমুক্ত থাকতে পারেননি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহসহ দলের শীর্ষ নেতারা। অমিত শাহ প্রকাশ্যে বলেছেন, কংগ্রেস ক্ষমতায় এলে রাজ্যে আবার সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা শুরু হবে।
প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনী ভাষণ শেষ করেছেন ‘জয় বজরঙ্গবলি’ স্লোগান দিয়ে। তাঁদের বিরুদ্ধে ভোটের আচরণবিধি ভাঙার অভিযোগ আনা হলেও নির্বাচন কমিশন কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। জবাবদিহির নোটিশ পর্যন্ত পাঠায়নি। যদিও বিজেপির অভিযোগের ভিত্তিতে কমিশন কংগ্রেসনেত্রী সোনিয়া গান্ধীকে তাঁর ভাষণে ‘সার্বভৌম’ শব্দ ব্যবহারের জন্য নোটিশ পাঠিয়েছে।
কমিশনের বিরুদ্ধে ‘পক্ষপাতিত্বের’ এই গুরুতর অভিযোগ আগেও বারবার উঠেছে। বহুবার বহু ক্ষেত্রে ‘ঘৃণাভাষণ’ দেওয়ার সুস্পষ্ট অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও কমিশন আমল দেয়নি। অতীতে তিন সদস্যবিশিষ্ট কমিশনের একজন ‘ঘৃণাভাষণ’–সংক্রান্ত তদন্তে ‘ভিন্নমত’ পোষণ করেছিলেন। তাঁর রায় ছিল প্রধানমন্ত্রী বিধি ভেঙেছেন। কিন্তু বাকি দুই সদস্য তা মানেননি। পরবর্তী সময়ে ওই সদস্য ও তাঁর পরিবারকে বিভিন্ন বিষয়ে কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার মুখোমুখি হতে হয়েছিল।
বিজেপি এবার জিততে পারলে ১৯৮৫ সালের পর তারাই হবে দ্বিতীয় দল, যারা পরপর দুবার এই রাজ্যে ভোটে জিতে ক্ষমতাসীন হবে। সেই লক্ষ্যে মোদি-শাহ দিনরাত এক করে দিয়েছেন। গত ১০ দিন তাঁরা কর্ণাটকেই প্রচার চালিয়েছেন। রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে ‘৪০ শতাংশ ঘুষ’ গ্রহণের অভিযোগের কোনো জবাব না দিয়ে বিজেপি তার প্রচারে হাতিয়ার করেছে শুধু মোদির ভাবমূর্তি।



