<
দুদকের আইনজীবী খরশীদ আলম খান সময় সংবাদকে বলেন, ‘এখানে আন্তর্জাতিক দুটি গোয়েন্দা সংস্থা প্রমাণ পেয়েছে যে দুর্নীতি হয়েছে। কাজেই আমি মনে করি, এটা আমাদের জন্য একটা শক্ত প্রমাণ হবে।’

নাইকোর কেলেঙ্কারি তদন্ত করে কানাডাও। দেশটির মাউন্টেড পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদনেও উঠে এসেছে কীভাবে কানাডা থেকে কয়েকটি দেশ ঘুরে ঘুষের টাকা আসে ঢাকায়। সেই টাকার ভাগ কে কত পেয়েছেন তারও বর্ণনা রয়েছে প্রতিবেদনে। কানাডার আদালতেও নাইকো স্বীকার করেছে, কাজ পেতে ঘুষ দেয়ার কথা।

অ্যাডভোকেট খুরশীদ আলম খান বলেন,
আমরা অভিযোগপত্রে দেখিয়েছি, কাশেম শরীফ, গিয়াস উদ্দিন আল মামুন ও বেগম জিয়া কীভাবে দুর্নীতির সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিল।
এফবিআই ও কানাডা পুলিশের ওই প্রতিবেদন ২০১৮ সালে হাতে পায় বাংলাদেশ। দুটি প্রতিবেদনই জমা রয়েছে আদালতে। সে কারণে মাউন্টেড পুলিশের দুজন এবং এফবিআইয়ের ১ জনকে সাক্ষ্য দিতে ঢাকায় আনতে চান দুদক। মিলেছে তাদের সম্মতিও।
আরও পড়ুন: খালেদার বিরুদ্ধে কানাডার রয়্যাল পুলিশ ও এফবিআই সাক্ষ্য দিতে সম্মত
দুদক আইনজীবী বলেন,
আমরা দেখাতে চাচ্ছি, এফবিআই ও কানাডার মাউন্টেড পুলিশের মতো দুটি সংস্থা সম্পর্কে তো কোনো প্রশ্ন ওঠানোর আইনগত অধিকার নেই। তারা নিজেরা স্বাধীনভাবে তদন্ত করেছে। কোনো পক্ষপাত ছাড়া তাদের তদন্ত যেহেতু প্রমাণ হয়েছে, সেই দুটি সংস্থার তিন কর্মকর্তাকে আদালতে সাক্ষী হিসেবে পরীক্ষা করার জন্য আমরা আবেদন করেছি। তারাও অপেক্ষায় আছেন, মামলার তারিখ কবে পড়ে। তারা সাক্ষী দিতে রাজি হয়েছেন।

যদিও নাইকো মামলার অভিযোগপত্রে এফবিআই ও কানাডা পুলিশের কাউকে সাক্ষী করা হয়নি। ফলে দেশের আদালতে বিদেশি ব্যক্তি সাক্ষ্য দিতে পারবেন কিনা তা নির্ভর করছে আদালতের সিদ্ধান্তের ওপর। আর বরাবরের মতো নাইকো মামলাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করে আসছেন বিএনপির আইনজীবীরা।
]]>



