আধুনিক কালে এই প্যারালাল পৃথিবীর ধারণাটি শুধু পদার্থবিজ্ঞানের গবেষণার ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নয়, এটি বিভিন্ন চলচ্চিত্র নির্মাণ, সায়েন্স ফিকশন গল্পকার বা পপ কালচারের ক্ষেত্রেও একটি নতুন চর্চার ক্ষেত্র তৈরি করেছে। এই ধারণাকে ব্যবহার করেই তৈরি হয়েছে জনপ্রিয় অনেক সিনেমা—যেমন কোহেরেন্স (২০১৩), এভরিথিং এভরিহোয়্যার অল অ্যাট ওয়ান্স (২০২২), দ্য ম্যাট্রিক্স (১৯৯৯); টিভি সিরিজ—যেমন ডার্ক, ফ্রিঞ্জ, স্ট্রেঞ্জার থিংস; জনপ্রিয় কিছু সাহিত্যের বই—যেমন ‘জার্নি টু দ্য প্যারালাল ওয়ার্ল্ড’ (আশরাফ পিন্টু), ‘দ্য ম্যান ইন দ্য হাই ক্যাসল’ (ফিলিপ কে ডিক), ‘মেন লাইক গড’ (এইচ জি ওয়েলস), ‘সমান্তরাল’ (তন্দ্রা বন্দ্যোপাধ্যায়) ইত্যাদি।
এগুলো আমাদের চিরচেনা বাস্তবতা থেকে বাইরের জগতের এক সম্ভাবনাময় দুনিয়ায় নিয়ে যায়, যা কখনো কখনো আমাদের কাছে রোমাঞ্চকর আবার কখনো ভীতিকর হয়ে ওঠে। বিজ্ঞান এখনো এই প্যারালাল পৃথিবীর চূড়ান্ত প্রমাণ না পেলেও এটির ধারণা এখন অনেকটাই সম্প্রসারিত। মানুষ চিন্তার পরিধিকে প্রসারিত করেছে, যা দারুণ ইতিবাচক নির্দেশনা প্রদান করে।
শিক্ষার্থী, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়




