আন্তর্জাতিক মঞ্চে দারুণ সাফল্য: স্কাইট্র্যাক্স অ্যাওয়ার্ডসে এক ধাপ এগোল ইউএস-বাংলা – DesheBideshe

আন্তর্জাতিক মঞ্চে দারুণ সাফল্য: স্কাইট্র্যাক্স অ্যাওয়ার্ডসে এক ধাপ এগোল ইউএস-বাংলা – DesheBideshe


ঢাকা, ২৪ সেপ্টেম্বর – আন্তর্জাতিক অ্যাভিয়েশন অঙ্গনে বাংলাদেশের নাম আরও এক ধাপ উঁচুতে তুলে ধরল দেশের অন্যতম শীর্ষ বেসরকারি উড়োজাহাজ সংস্থা ‘ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স’। বিশ্বের কোটি যাত্রীর সরাসরি ভোটে নির্ধারিত সম্মানজনক ‘স্কাইট্র্যাক্স ওয়ার্ল্ড এয়ারলাইন্স অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬’-এ দক্ষিণ এশিয়ার সেরা আঞ্চলিক এয়ারলাইন্সের তালিকায় এক ধাপ এগিয়ে চতুর্থ স্থান দখল করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) মো. কামরুল ইসলাম বিশ্বমঞ্চে এই গৌরবান্বিত অর্জনের কথা নিশ্চিত করেন।

টানা তিন বছর শীর্ষ তালিকায়: এবার চতুর্থে উত্তরণ!

অ্যাভিয়েশন জগতের ‘অস্কার’ হিসেবে খ্যাত স্কাইট্র্যাক্স অ্যাওয়ার্ডসে ধারাবাহিকভাবে নিজেদের সুনামের সাক্ষর রেখে চলেছে ইউএস-বাংলা:

২০২৪ ও ২০২৫ সাল: টানা দুই বছর ‘বেস্ট রিজিওনাল এয়ারলাইন্স (ইন্ডিয়া/সাউথ এশিয়া)’ ক্যাটাগরিতে পঞ্চম স্থানে অবস্থান করছিল সংস্থাটি।

২০২৬ সাল: নিরবচ্ছিন্ন আন্তর্জাতিক সেবা, সময়নিষ্ঠতা ও নেটওয়ার্ক বৃদ্ধির সুবাদে এক ধাপ এগিয়ে তারা এখন দক্ষিণ এশিয়ার চতুর্থ সেরা এয়ারলাইন্স।

উল্লেখ্য, স্কাইট্র্যাক্সের নিয়ম অনুযায়ী ৬ ঘণ্টা পর্যন্ত স্বল্প ও মাঝারি দূরত্বের রুটে যাত্রীসেবা প্রদানকারী প্রিমিয়াম ফুল-সার্ভিস ক্যারিয়ারগুলোকে ‘আঞ্চলিক এয়ারলাইন্স’ হিসেবে মূল্যায়ন করা হয়।

নতুন উড়োজাহাজ ও আন্তর্জাতিক গন্তব্যের বড় মাস্টারপ্ল্যান

স্কাইট্র্যাক্সের এই বৈশ্বিক স্বীকৃতি বিশ্ববাজারে ইউএস-বাংলার সেবা ও অপারেশনাল দক্ষতারই প্রমাণ। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদের অবস্থান আরও মজবুত করতে ইতোমধ্যে বিশাল উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে এয়ারলাইন্সটি।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে:

  • বহরে নতুন প্রজন্মের আধুনিক এয়ারক্রাফট বা উড়োজাহাজ সংযোজন।
  • নতুন আন্তর্জাতিক গন্তব্যে সরাসরি ফ্লাইট চালু করা ও ব্যস্ত রুটগুলোতে ফ্লাইটের সংখ্যা (ফ্রিকোয়েন্সি) বৃদ্ধি।
  • প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক স্মাট সার্ভিস ও আন্তর্জাতিক মানের যাত্রীসেবা সম্প্রসারণ।

১৯৯৯ সাল থেকে পরিচালিত মর্যাদাপূর্ণ আন্তর্জাতিক রেটিং সংস্থা ‘স্কাইট্র্যাক্স’-এর এই ধারাবাহিক স্বীকৃতি বৈশ্বিক বিমান পরিবহন খাতে বাংলাদেশের সুনাম ও যাত্রীদের আস্থা বহু গুণ বাড়িয়ে দিল।

এনএন/ ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬