স্বামীর মুঠোফোন বন্ধ পেয়ে এবং বিভিন্ন মাধ্যমে খবর পেয়ে আজ বিকেলে ষাটনল লঞ্চঘাট এলাকায় ছুটে আসেন নাসরিন। লঞ্চ থেকে ঘাটের পন্টুনে নামতে গিয়ে মেঘনায় পড়ে স্বামীর নিখোঁজ সংবাদ জেনে তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন। পুলিশ, প্রশাসন ও ফায়ার সার্ভিসের লোকজন এবং সংবাদকর্মীরা তাঁকে কিছুতেই সান্ত্বনা দিতে পারছিলেন না। তাঁর আহাজারিতে লঞ্চঘাট এলাকার পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে।
লঞ্চঘাটের পন্টুনে দাঁড়িয়ে নাসরিন বলেন, ‘আমার স্বামী অনেক দিন বেকার আছিল। এ জন্য আমাকে বাপের বাড়িতে রাখছে। সে তার বাবা-মায়ের সঙ্গে নারায়ণগঞ্জে থাকত। দুই মাস আগে তার চাকরি অইছে। আমারে কইছে, মেয়েসহ হের কাছে নিয়া যাইব।’
আহাজারি করতে করতে নাসরিন বলেন, ‘আমার এহন কী অইব। আমার একমাত্র মেয়ের কী অইব। আমি কই যামু, কী করুম। আল্লাহ, তুমি কী করলা। মেয়েটা বলতেছে, “আমার বাবার কী অইছে।” আমার স্বামী তো সাঁতার জানে। ক্যামনে নদীতে ডুইবা নিখোঁজ অইল। কেউ কি তারে তুলতে পারল না।’


