ইরানে স্থল অভিযানের পরিকল্পনার খবরে কড়া প্রতিক্রিয়া মার্কিন আইনপ্রণেতাদের

ইরানে স্থল অভিযানের পরিকল্পনার খবরে কড়া প্রতিক্রিয়া মার্কিন আইনপ্রণেতাদের

এভাবে সামরিক শক্তি বাড়ানোর ক্ষেত্রে বিকল্প কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে—হরমুজ প্রণালি সুরক্ষিত রাখার পরিকল্পনা এগিয়ে নেওয়া, ইরানের সমৃদ্ধ করা ইউরেনিয়াম জব্দ করা, ইরানের তেল স্থাপনাগুলো দখল করা।

যদিও এর আগে ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছিলেন, তিনি কোথাও ‘সেনা পাঠাচ্ছেন না’। মূলত বিদেশে সামরিক সম্পৃক্ততা এবং এ বিষয়ে মার্কিন কংগ্রেসের অনুমোদনের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে নিজের সমর্থক গোষ্ঠীর মধ্যে স্পষ্ট বিভাজনের পরিপ্রেক্ষিতে ট্রাম্প এ কথা বলেছিলেন।

ইরানে সেনা পাঠাতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে কংগ্রেসের অনুমতি নিতে হবে কি না—রোববার জেমস ল্যাঙ্কফোর্ডের কাছে এ প্রশ্নের উত্তর জানতে চাওয়া হয়েছিল। তিনি সরাসরি কোনো জবাব দেননি। বলেন, এটা নির্ভর করছে মার্কিন সেনাদের কীভাবে ব্যবহার করা হবে, তার ওপর।

রিপাবলিকান এই রাজনীতিক আরও বলেন, ‘যদি একটি দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ চলত, যেমনটা ইরাক বা আফগানিস্তানে হয়েছিল, তাহলে “হ্যাঁ”। কিন্তু এর উদ্দেশ্য যদি হয় মার্কিন নাগরিকদের রক্ষা করা এবং এটা নিশ্চিত করা যে আমরা সেখানে একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য থাকব, এরপর সেখান থেকে বেরিয়ে আসব, তাহলে বিষয়টি সম্পূর্ণ ভিন্ন।’