
সিউল,০২ সেপ্টেম্বর- ইউক্রেন যদি উত্তর কোরিয়ার যুদ্ধবন্দিদের দক্ষিণ কোরিয়ায় পাঠানোর তথ্য একতরফাভাবে প্রকাশ করার ঘটনায় প্রকাশ্যে ক্ষমা না চায়, তাহলে সিউল ‘আরও ব্যবস্থা’ নেবে বলে শুক্রবার জানিয়েছেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং।
ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি গত সপ্তাহে জানান, তার দেশ দুই উত্তর কোরীয় সেনাকে দক্ষিণ কোরিয়ায় পাঠিয়েছে। তিনি বলেন, তাদের জীবিত অবস্থায় আটক করা সহজ ছিল না।
জাতিসংঘে জেলেনস্কির বক্তব্যের কয়েক ঘণ্টা পর দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি এ ঘটনায় অসন্তোষ জানান। সিউলের দাবি, তথ্য গোপন রাখা গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কারণ, এর মাধ্যমে উত্তর কোরিয়ায় ওই যুদ্ধবন্দিদের স্বজনদের সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়া বা হয়রানি থেকে তাদের সুরক্ষিত রাখা সম্ভব হতে পারত।
এরপর দক্ষিণ কোরিয়া ইউক্রেনের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানায়।
শুক্রবার লি বলেন, ‘ইউক্রেন যদি তথ্য স্বীকার করতে এবং প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে অস্বীকার করতে থাকে, তাহলে আমরা আরও ব্যবস্থা নেব।’
তিনি অভিযোগ করেন, ইউক্রেনের আচরণের কারণে তাকে ‘মিথ্যাবাদী’ হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে লি বলেন, ‘এটি কোরিয়া প্রজাতন্ত্র ও এর জনগণের মর্যাদার সঙ্গে সম্পর্কিত একটি বিষয় এবং এটিকে উপেক্ষা করা যায় না।’
লি ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রি সিবিহার একটি সাক্ষাৎকারের কথাও উল্লেখ করেন। সাক্ষাৎকারটি বৃহস্পতিবার আরবিসি-ইউক্রেনসহ দেশটির কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়।
সিবিহা বলেন, তিনি বিষয়টিকে ‘ঘটনা’ হিসেবে উল্লেখ করতে চান না; বরং এটিকে ‘কূটনৈতিক ভুল বোঝাবুঝি’ হিসেবে দেখছেন।
তিনি বলেন, ‘দক্ষিণ কোরিয়া আমাদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দেশ। আমরা তাদের সঙ্গে যে সহযোগিতা চালিয়ে যাচ্ছি, তা অব্যাহত থাকবে এবং এর মাধ্যমে আরও গতি ও বাস্তব ফলাফল অর্জিত হবে, এটাই আমি আশা করি।’
এস এম/ ০২ অক্টোবর ২০২৬




