২০১৪ বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে শিরোপা জিতেছিল জার্মানি। এরপর ২০১৮ এবং ২০২২ আসরে গ্রুপপর্ব পেরোতে পারেনি চারবারের চ্যাম্পিয়নরা। এবারের আসরে অবশ্য দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে। প্রথম ম্যাচে কুরাসাওকে ৭-১ গোলে হারানোর পর দ্বিতীয় ম্যাচে আইভরি কোস্টের বিপক্ষেও অপরাজেয়। শুরুতে পিছিয়ে পড়লেও ডেনিজ উন্ডাভের জোড়া গোলে ২-১ ব্যবধানে কষ্টার্জিত জয় এসেছে জামাল মুসিয়ালাদের। তাতে একম্যাচ হাতে রেখে ১২ বছর পর নকআউটের টিকিট পেল জার্মানি।
টরন্টোর বিএমও ফিল্ডে জার্মানিকে প্রায় রুখেই দিয়েছিল আইভরি কোস্ট। ৬৪ মিনিট পর্যন্ত লিড ধরে রেখেছিল তারা। নির্ধারিত সময় পর্যন্ত ছিল ১-১ সমতায়। শেষ মুহূর্তে এসে যোগকরা সময়ে এসে গোল করে জয় তুলে নেয় জার্মানি।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণের পসরা সাঁজায় জার্মানি। জালের দেখাও মেলে, ম্যাচের ২৩ মিনিটে কর্নার থেকে আসা বল আইভরি কোস্ট গোলরক্ষক ফোফানার গ্লাভসে লেগে জালে ঢুকলেও গোল বাতিল হয়। মূলত আলেকজান্ডার পাভলোভিচ গোলরক্ষককে ফাউল করেছেন বলে সিদ্ধান্ত দেন রেফারি।
৩০ মিনিটে দুর্দান্ত এগিয়ে যায় আইভরি কোস্ট। আমাদ ডায়ালোর শট অবিশ্বাস্য দক্ষতায় ব্লক করেন ব্রাউন। ফিরতি বল চলে আসে ফ্রাঙ্ক কেসির কাছে। সামনে সুযোগ পেয়ে কোনো ভুল করেননি। জোরালো শটে বল পাঠিয়ে দেন জার্মানির জালে।
৪০ মিনিটে আরও একবার জালের দেখা পায় জার্মানি। তবে এবারও ফাউলের কারণে বাতিল হয় গোলটি। আক্রমণের শুরুতে ওডিলন কোসোনোকে জামাল মুসিয়ালা ফাউল করেছেন বলে মনে হয়। এরপর কাই হাভার্টজ বল জালে পাঠানোর পরই রেফারি খেলা থামিয়ে দেন। পরে ভিএআর পর্যালোচনা করে গোল বাতিল করা হয়। পরে ১-০ গোলে লিড নিয়ে বিরতিতে যায় আইভরি কোস্ট।
তবে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন বদলি হিসেবে নামা উন্ডাভ। ৬৮ মিনিটে নাদিম আমিরির ক্রসে বল পান উন্ডাভ। বক্সের ভেতর থেকে দুর্দান্ত ভলিতে গোল করে জার্মানিকে সমতায় ফেরান তিনি। এরপর ম্যাচ যখন ড্রয়ের দিকেই এগোচ্ছিল, তখন যোগ করা সময়ের চতুর্থ মিনিটে জয় সূচক গোলটি করেন উন্ডাভ।
ফেলিক্স নেমেচা বক্সের ভেতরে পাস বাড়িয়ে দেন উন্ডাভের উদ্দেশে। এক টাচে ঘুরে দাঁড়িয়ে বল জালে জড়ান। উল্লাসে মাতে জার্মানরা। পরে ২-১ ব্যবধানে গ্রুপ-ই থেকে নকআউট নিশ্চিত করে তারা।





