জীবন বাঁচাতে বাবা-মেয়ের হৃদয়ছোঁয়া গল্পকে ঘিরে নির্মিত হয়েছে ওয়েব ফিল্ম ‘লাইফলাইন’। কাজী আসাদের পরিচালনায় এর কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন বিদ্যা সিনহা মিম। আরও রয়েছেন রেজওয়ান শাহরিয়ার, খায়রুল আলম সবুজ, আ খ ম হাসান, নাজনীন চুমকি, গাজী রাকায়েত প্রমুখ।
গল্পে দেখা যায়, অনেকে যেখানে আশা ছেড়ে দেয়, সেখানে একা মেয়ে হয়ে নিজের মৃত্যুপথযাত্রী বাবাকে বাঁচাতে আপ্রাণ সংগ্রাম করে গেছেন মিম। ঢাকা থেকে অজপাড়া গ্রামে গিয়ে বাবাকে বাঁচাতে হন্যে হয়ে কাউকে খুঁজছেন। আবার উঠে এসেছে, হাসপাতালে রোগীরা কী ধরনের প্রচারকদের খপ্পরে পড়ে থাকে!
কনটেন্টটি মূলত পারিবারিক সম্পর্ক, ভালোবাসা এবং মানবিক অনুভূতির ওপর ভর করে দর্শকদের মন ছুঁয়ে গেছে, যা বর্তমানে চরকিতে স্ট্রিমিং হচ্ছে।
এতে অনন্যা চরিত্রে অভিনয় করেছেন বিদ্যা সিনহা মিম। পুরো কনটেন্টে মিমের পরিমিত অভিনয় চরিত্রটিকে বিশ্বাসযোগ্য করে তুলেছে।
সেই সঙ্গে রেজওয়ান পারভেজও নিজের ভূমিকায় স্বাভাবিক ছিলেন। সবচেয়ে বেশি চমকে দিয়েছে আ খ ম হাসান আর গাজী রাকায়েতের ব্যক্তিক্রমী অভিনয়।
‘লাইফলাইন’-এর অন্যতম শক্তি এর লোকেশন, সিনেমাটোগ্রাফি এবং জাহিদ নিরবের আবহসংগীত এবং ঐশীর গান। গ্রামীণ পরিবেশকে সুন্দরভাবে তুলে ধরা হয়েছে, যা গল্পের আবেগকে আরও গভীর করেছে।
মিম বলেন, এই গল্পটা আমার পার্সোনাল লাইফের সাথে কানেক্টেড। কারণ, আমার বাবা-মায়েরও বয়স হচ্ছে। তারাও মাঝেমধ্যে অসুস্থ হচ্ছে। সবার লাইফে এটা হয়। অনন্যা চরিত্র করতে গিয়েও আমি একই অনুভুতি ফিল করেছি। তাই আলাদা করে আমাকে চরিত্রে ঢুকতে হয়নি। এই কাজটি রিলিজের পর যারা দেখছেন সবাই ভীষণ প্রশংসা করছেন। আমি খুব সিওর যে লাইফলাইন যারাই দেখবে তাদের কাছে ভালো লাগবে।
অভিনেতা আ খ ম হাসান বলেন, ওটিটিতে এটাই আমার প্রথম কাজ। এর আগে আমি যে ধরনের কাজে অভ্যস্ত সেগুলো পরিচালক-প্রযোজকরাই আমাকে নিয়ে থাকেন। আমার আসলে কিছু করার নাই। তবে এই কাজটি দিয়ে আমার দ্বিতীয় ইনিংস শুরু হতেও পারে। আমি মনে করি, এই জেনারেশনের প্রত্যেকটা সন্তানের ‘লাইফলাইন’ দেখা উচিত।






