কম্বোডিয়ার সাইবার স্ক্যাম চক্র থেকে উদ্ধার ৩৭ বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন | চ্যানেল আই অনলাইন

কম্বোডিয়ার সাইবার স্ক্যাম চক্র থেকে উদ্ধার ৩৭ বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন | চ্যানেল আই অনলাইন

কম্বোডিয়ার বিভিন্ন সাইবার স্ক্যাম কম্পাউন্ড থেকে উদ্ধার হওয়া ৩৭ বাংলাদেশি নাগরিক দেশে ফিরেছেন। বিদেশে আকর্ষণীয় চাকরির প্রলোভনে নিয়ে গিয়ে তাদের জোরপূর্বক অনলাইন প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত করা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।

আজ ১২ জুন শুক্রবার দিবাগত রাত ১টা ২৫ মিনিটে থাই এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে তারা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। দেশে ফেরার পর বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের পক্ষ থেকে তাদের জরুরি সহায়তা এবং নিজ নিজ বাড়িতে পৌঁছানোর জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়।

ভুক্তভোগীদের ভাষ্য অনুযায়ী, বিদেশে ভালো চাকরির আশ্বাস দিয়ে বৈধ প্রক্রিয়ায় তাদের কম্বোডিয়ায় পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু সেখানে পৌঁছানোর পর বাংলাদেশি দালালচক্রের মাধ্যমে অর্থের বিনিময়ে তাদের চীনা নিয়ন্ত্রিত বিভিন্ন সাইবার স্ক্যাম কম্পাউন্ডে বিক্রি করে দেওয়া হয়। এসব কম্পাউন্ডে তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে আটকে রেখে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের লক্ষ্য করে পরিচালিত অনলাইন প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে বাধ্য করা হতো।

নির্ধারিত লক্ষ্য পূরণে ব্যর্থ হলে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে তাদের। সাম্প্রতিক সময়ে কম্বোডিয়ার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানে কয়েকটি স্ক্যাম কম্পাউন্ড থেকে এসব বাংলাদেশিকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়।

এর আগেও একই ধরনের মানবপাচারের শিকার হয়ে বিদেশে আটকা পড়া বাংলাদেশিদের দেশে ফেরানো হয়েছে। চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি মিয়ানমারের একটি সাইবার স্ক্যাম কেন্দ্র থেকে আটজন এবং ২০২৫ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর আরও ১৮ জন বাংলাদেশি দেশে ফেরেন। তাদেরও চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে থাইল্যান্ড সীমান্ত হয়ে মিয়ানমারে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।