করপোরেট ঢঙে ষোলো আনা: সংকটে অনেক বেসরকারি চাকরিজীবী

করপোরেট ঢঙে ষোলো আনা: সংকটে অনেক বেসরকারি চাকরিজীবী

তাই কাজের জটিল জায়গায় আটকে গেলে আফরানের ভরসা দক্ষতার চেয়ে সম্পর্কের ওপর বেশি। বস খুশি থাকলে তাঁর কর্মজীবনও বেশ স্বস্তির। কিন্তু প্রতিষ্ঠানে সংকট দেখা দিলে সেই স্বস্তি আর খুব কাজে আসে না। তখন সালাম কত লম্বা ছিল, সেটি নয়, কাজটি কে করতে পারেন, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

চাকরির বাজারের পরিসংখ্যানও খুব আশাব্যঞ্জক নয়। বিবিএসের ২০২৪ সালের জরিপ অনুযায়ী, উচ্চশিক্ষিত যুবকদের মধ্যে বেকারত্ব ১৩ দশমিক ৫ শতাংশ। অর্থাৎ ডিগ্রি আছে, পরিচিতিও আছে, তবু চাকরির নিশ্চয়তা নেই। বাজার শেষ পর্যন্ত দক্ষতার হিসাবও চাইছে।

তবে এখানেই গল্পের আরেকটি দিক আছে। সব সমস্যার দায় কর্মীর নয়। প্রতিষ্ঠানে সৎ ও দক্ষ কর্মীও আছেন। মালিকপক্ষ তাঁদের চেনে। কে নিয়মিত কাজ করেন, কে দায়িত্ব নেন, কে সংকটে পাশে থাকেন—এসব বোঝার জন্য খুব বড় গবেষণার দরকার হয় না।

কিন্তু সৎ ও দক্ষ কর্মী ধরে রাখার জায়গায় অনেক সময় হিসাবটা একটু অন্য রকম। দক্ষ কর্মী নিজের কাজের মূল্য বুঝতে শুরু করলে একদিন বেতন বাড়ানোর কথাও তুলতে পারেন। আর সেখানেই মালিকের কপালে ভাঁজ পড়ার সম্ভাবনা থাকে!