<![CDATA[
নবীন খেলোয়াড়দের চ্যাম্পিয়ন করার প্রলোভন দেখিয়ে ট্রেইনিংয়ের নামে টাকা হাতিয়ে নেন বাংলাদেশ বডিবিল্ডিং ফেডারেশনের কর্তারা। কথা মতো কাজ না করলে দেন ক্যারিয়ার নষ্ট করে দেয়ার হুমকি। ফেডারেশনের অধীনে থাকা বিচারকদের নেই কোনো আন্তর্জাতিক সার্টিফিকেট। আর এসব অনিয়ম করে ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত করে রেখেছেন সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম। ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশের পরই গা ঢাকা দিয়েছেন।
পপি রানী। একজন বডিবিল্ডার। বডিবিল্ডিং ফেডারেশনের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য রাকিব প্রিন্স তাকে প্লেস করানোর কথা বলে লক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নেন। জিম সিন্ডিকেটে পপির মতো জিম্মি অনেক নবীন বডিবিল্ডার।
পপি বলেন, ‘চুক্তি অনুযায়ী যখন ওনাকে অর্থ পরিশোধ করি, তখন তিনি একটা কথাই বলতেন, তোমার প্লেস পেলেই তো হয়েছে। কারণ তিনি বিচারক। তিনি প্রায়ই ক্ষমতার দাপট দেখাতেন। মিডিয়ায় কথা বলব শুনে একটু আগে আমাকেও হুমকি দিয়েছেন। নতুন কমিটি আসলে আমাকে ছাড় দিবে না বলেছেন।’
আরও পড়ুন: টাকার বিনিময়ে খ্যাতনামা জিমগুলোর বডিবিল্ডারদের চ্যাম্পিয়ন করে ফেডারেশন
হুমকি দাতা রাকিবের সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে জানান, তিনি চিত্রনায়ক শাকিব খানের মতো বড় তারকাদের ট্রেইনার। কাজ করেন না স্বল্প পরিচিত বডিবিল্ডারদের নিয়ে।
রাকিব বলেন, ‘আমি সারা জীবন মানুষকে ফ্রি শিখিয়েছি। ফ্রি ট্রেইনিং করিয়েছি। কোন বডিবিল্ডার অভিযোগ করেছে সেটা আগে আমাকে জানান। ওকে (পপি) তো আমি ট্রেইনিংই করাতে চাইনি। সে জোর করে আরেকজনের মাধ্যমে আমার কাছে ট্রেইনিং করতে এসেছিল। আমি তো ট্রেইনিংই করাতে চাইনি। সে আমার কাছে ট্রেইনিং করে বলছে আরেক ট্রেইনারের কথা।’
ফেডারেশনের অধীনে থাকা বিচারকদের নেই কোনো আন্তর্জাতিক সার্টিফিকেট। তবুও বছরের পর বছর বিচারকের পদ দখল করে ফলাফল গড় মিলে সিদ্ধহস্ত তারা । যার শিকার শুভ-হাসিবদের মত শীর্ষ পর্যায়ের বডি বিল্ডাররা।
আরও পড়ুন: বিশ্বকাপ শ্যুটিংয়ে বাংলাদেশ ১৪তম
এই সব অনিয়মের মূলে রয়েছেন এক যুগ ধরে ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদকের পদ দখল করে রাখা নজরুল ইসলাম। ফেডারেশনের বর্তমান কমিটিকে বিলুপ্ত করার পরই গা ঢাকা দিয়েছেন তিনি। দুই দিন ধরে কল-এসএমএস কোনো কিছুরই জবাব দিচ্ছেন না। সময় সংবাদের ফোন না ধরলেও ঠিকই ধরছেন ফেডারেশনের পিয়নের ফোন।
]]>



