অবশেষে কাঙ্খিত জয়ের দেখা পেল ব্রাজিল। বিশ্বকাপে নিজেদের উদ্বোধনী ম্যাচে মরক্কোর বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করে বেশ চাপে পরে গয়েছিল পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। আসরের দ্বিতীয় ম্যাচে ম্যাথিয়াস কুনহার জোড়া এবং ভিনিসিয়াস জুনিয়রের গোলে হাইতির বিপক্ষে ৩-০ ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে সেলেসাওরা। অবশ্য দ্বিতীয়ার্ধে কোন গোলের দেখা পায়নি কার্লো আনচেলত্তির শিষ্যরা।
ফিলাডেলফিয়ার লিংকন ফিনান্সিয়াল ফিল্ড স্টেডিয়ামে ম্যাচের ১২ মিনিটে একটি দুর্দান্ত শটে জালে বল জড়ান রাফিনহা, অফসাইডে গোলটি বাতিল হয়। ২২ মিনিটে আবারও সুযোগ পায় দলটি, হাইতি গোলরক্ষকের বিপক্ষে ওয়ান-ওয়ান পরিস্থিতি। শট নেন রাফিনহা, বারের পাশ কাটিয়ে চলে যায় বল। এরপর আরও আক্রমণাত্মক হতে থাকে ব্রাজিল। এক মিনিট পরে গোলের দেখা পায় তারা।
২৩ মিনিটে বল জালে জড়ান ম্যাথিয়াস কুনহা, এগিয়ে যায় ব্রাজিল। ৩৬ মিনিটে জোড়া গোল পূর্ণ করেন তিনি। বিরতিতে যাওয়ার দুই মিনিট আগে বোর্ডে তৃতীয় গোল যুক্ত করেন ভিনিসিয়াস জুনিয়র। এদিন বেশ ছন্দে খেলছে ব্রাজিল।
বিরতিতে থেকে ফিরে ব্রাজিল একের পর এক আক্রমণে ব্যাস্ত রাখে হাইতির রক্ষনভাগ। তবে দ্বিতীয়ার্ধে জালের দেখা পেলেও অফ সাইড কাটায় পরে সেলেসাওরা। ৬৩ মিনিটে ব্যবধান কমানোর সুযোগ পায় হাইতি। কর্নার থেকে হেডে করেন জেনরিকনার বেলেগার্ড, তবে অসাধারণ ভাবে সেটি ঠেকিয়ে দেন ব্রাজিলের গোলরক্ষক অ্যালিসন বেকার। সেখানে থেকে ফিরতি গোল হতে পারত, তবে সে যাত্রায় ব্রাজিলকে বাঁচিয়ে দেন মার্কুইনহোস।
৬৯তম মিনিটে গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লির শট বার পোস্টে লেগে ফিরে আসে, যদিও রেফারি সেটি পরবর্তীতে অফ সাইড দেন। ম্যাচের ৭৮ মিনিটে এন্দ্রিকের শট জালে গেলেও, অফ সাইডে সেটি বাতিল হয়। ম্যাচের ৯০ মিনিট শেষে সহজ সুযোগ হাত ছাড়া করে ব্রাজিল, মার্তিনেল্লির পাস জালের জড়াতে ব্যর্থ হন দানিলো সান্তোস।
সি গ্রুপে প্রতি দল ২টি করে ম্যাচ খেলেছে। ১ জয় এবং ১ ড্রয়ে ৪ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে ব্রাজিল, একই সমীকরণের দুইয়ে আছে মরক্কো। ১টি করে জয় এবং হারে ৩ পয়েন্ট নিয়ে তিনে স্কটল্যান্ড। কোন জয় না পাওয়া হাইতি বিনা পয়েন্টে রয়েছে টেবিলের তলানিতে।
গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে ২৫ তারিখ স্কটিশদের বিপক্ষে বাংলাদেশ সময় ভোর ৪টায় নামবে ব্রাজিল। একই দিন একই সময় এ গ্রুপের অন্য দুই প্রতিপক্ষ মরক্কো এবং হাইতিও মুখোমুখি হবে।





