হামের সংক্রমণ কমে আসা আর হাম নিয়ন্ত্রণে আসা এক কথা নয়। মার্চ মাসের শুরুতে হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ার পর সরকার হাম–রুবেলার টিকার জাতীয় ক্যাম্পেইন শুরু করেছিল ৫ এপ্রিল। এই ক্যাম্পেইন শেষ হয়েছে ২০ মে। অর্থাৎ এক মাস বা চার সপ্তাহ আগে। জনস্বাস্থ্যবিশেষজ্ঞ ও টিকাবিশেষজ্ঞরা বলেন, হামের টিকা দেওয়ার দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে শিশুর শরীরে হামের প্রতিরোধক্ষমতা (অ্যান্টিবডি) গড়ে ওঠে। জাতীয় ক্যাম্পেইন চার সপ্তাহ পরও গড়ে দৈনিক হাজারের
বেশি শিশু কেন হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে আসছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। সাধারণ মানুষের মধ্যেও উদ্বেগ আছে।
গতকাল শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সমন্বিত নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রের দেওয়া সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় (বৃহস্পতিবার সকাল আটটা থেকে শুক্রবার সকাল আটটা পর্যন্ত) সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে এসেছে ১ হাজার ৭৮ জন ও হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৪ জন। এই সময় নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ৯৬ জনের। আর তিন হাজারের বেশি মানুষ হাম নিয়ে সরকারি–বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি ছিল।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হামে আক্রান্ত রোগী বা হামের উপসর্গ নিয়ে মানুষ যদি হাসপাতালে আসা বন্ধ হয়, হামে যদি মৃত্যু না হয় তাহলে বুঝতে হবে, হাম নিয়ন্ত্রণে আছে।




