জিয়াউল আহসান ও রোকেয়া প্রাচীর ‘সংশ্লিষ্টতা’, তদন্তে আরও ছয় মাস সময় পেল টাস্কফোর্স

জিয়াউল আহসান ও রোকেয়া প্রাচীর ‘সংশ্লিষ্টতা’, তদন্তে আরও ছয় মাস সময় পেল টাস্কফোর্স

আজ আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল প্রতিবেদনের অংশবিশেষ তুলে ধরে শুনানি করেন, সঙ্গে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আরশাদুর রউফ ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নূর মোহাম্মদ আজমী। বাদীপক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। রিট আবেদনকারী পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ।

প্রতিবেদনে যেভাবে জিয়াউল আহসান ও রোকেয়া প্রাচীর সংশ্লিষ্টতা

পরে নিজ কার্যালয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, এই মামলার নতুন তদন্তভার গ্রহণ করে টাস্কফোর্স ২০২৪ সাল থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত মোট ৯০ জন সাক্ষীকে আবারও জিজ্ঞাসাবাদ করেন এবং ২৪ জনের জবানবন্দী রেকর্ড করেন।

এই মামলার তদন্তে আদালতের নির্দেশে গঠিত টাস্কফোর্সের কার্যক্রমে ইতিমধ্যে উল্লেখযোগ্য একটি অগ্রগতি সাধিত হয়েছে উল্লেখ করে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘অক্টোবর মাসে, সেটা হচ্ছে সাগর-রুনি হত্যা মামলা নিয়ে গত ৩০ আগস্ট বিভিন্ন ইলেকট্রনিক মিডিয়া এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর তানভীর হাসান জোহা এ মর্মে বক্তব্য প্রদান করেন যে দুদক এনটিএমসির সাবেক পরিচালক মেজর জেনারেল অবসরপ্রাপ্ত জিয়াউল আহসানের বরিশালের বাসায় অভিযান চালায়। সেখানে বেশ কিছু ডিজিটাল আলামত পেয়ে দুদক সেগুলো জব্দ করে। সেগুলোর মধ্যে বিভিন্ন রকম জিও লোকেশন, এসএমএস, সিডিআরের প্রিন্টেড ভার্সন পাওয়া যায়।’