
ওয়াশিংটন, ১৪ জুলাই – যুক্তরাষ্ট্রের ফরোয়ার্ড ফোলারিন বালোগুন স্বীকার করেছেন যে ফিফা কর্তৃক তার এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করার বিতর্কিত সিদ্ধান্তটি দলের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছিল। এই প্রক্রিয়ায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হস্তক্ষেপের বিষয়টিও আলোচনায় উঠে এসেছে।
বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার বিপক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের জয়ের ম্যাচে বালোগুন সরাসরি লাল কার্ড দেখেছিলেন। ফিফার নিয়ম অনুযায়ী এর ফলে পরবর্তী ম্যাচে তার স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিষিদ্ধ থাকার কথা ছিল। তবে শেষ ষোলোর লড়াইয়ে বেলজিয়ামের বিপক্ষে ম্যাচের মাত্র ২৪ ঘণ্টা আগে হঠাৎ করে সেই শাস্তি স্থগিত করা হয়।
এই সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের পেছনে ট্রাম্পের ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর সঙ্গে যোগাযোগের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর বিশ্বজুড়ে ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি হয়।
মঙ্গলবার সিবিএস মর্নিংস অনুষ্ঠানে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ২৫ বছর বয়সী এই স্ট্রাইকার বলেন যে শুরুতে পুনরায় দলে ফেরার সুযোগ পাওয়ায় তিনি আনন্দিত হয়েছিলেন। কিন্তু পরে তিনি বুঝতে পারেন যে বিষয়টি অনেক বিতর্কের জন্ম দেবে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে এমন ব্যতিক্রমী ঘটনায় তার সতীর্থদের মধ্যেও কিছুটা স্নায়ুচাপ দেখা গিয়েছিল। মাঠের বাইরের এত আলোচনা ও চাপের মধ্যে খেলায় মনোযোগ দেওয়া অত্যন্ত কঠিন ছিল বলে তিনি মন্তব্য করেন। পুরো বিষয়টি বিভ্রান্তিকর ছিল কারণ দল তাকে ছাড়াই অনুশীলন করছিল এবং তিনি তখন কেবল দলের মনোবল ধরে রাখার ভূমিকায় ছিলেন।
হোয়াইট হাউসের বিশ্বকাপ টাস্কফোর্সের নির্বাহী পরিচালক অ্যান্ড্রু জুলিয়ানিও স্বীকার করেছেন যে এই বিতর্ক খেলোয়াড়দের মনোসংযোগে ব্যাঘাত ঘটিয়ে থাকতে পারে। তবে তিনি মার্কিন হস্তক্ষেপের সিদ্ধান্তের পক্ষে যুক্তি দিয়ে বলেন যে বিশ্বকাপ আয়োজনে যুক্তরাষ্ট্র বড় অংকের অর্থ বিনিয়োগ করেছে এবং মাঠের খেলায় ন্যায্যতা নিশ্চিত করাই ছিল তাদের লক্ষ্য।
এনএন/ ১৪ জুলাই ২০২৬






