ধ্বংসস্তূপের গাজায় মৌমাছিরা যে ফুলের খোঁজে ফেরে

ধ্বংসস্তূপের গাজায় মৌমাছিরা যে ফুলের খোঁজে ফেরে

গত বছরের যুদ্ধবিরতির পর ইব্রাহিম ভেবেছিলেন, আবার ফিরে পাবেন বাপ-দাদার পেশা। কিন্তু খামারে গিয়ে তিনি ধ্বংসাবশেষই শুধু দেখলেন। ‘মৌমাছি নেই, চাক নেই, যন্ত্রপাতি নেই। আবার শুরু করার মতো কিছুই অবশিষ্ট ছিল না’—এভাবেই বলেছেন তিনি।

সীমান্তঘেঁষা কৃষিজমিগুলো এখন ইসরায়েলি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে। ইয়েলো লাইন টেনে মানুষের যাতায়াত সীমাবদ্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এ লাইনের ভেতরে পড়েছে কৃষিজমি। সেখানে প্রবেশ নিষিদ্ধ। যে বাগানগুলো একসময় হাজার হাজার মৌমাছির বিচরণভূমি ছিল, ইয়োলো লাইন তার দুর্গম দূরত্ব বাড়িয়েছে। মানুষ যে মৌমাছির যত্নআত্তি করবে, সে সুযোগও প্রায় নেই গাজায়।

এরপরও এত বড় যুদ্ধ ও জাতিহত্যা দিয়েও ইব্রাহিমকে মৌমাছিদের থেকে আলাদা করা যায়নি। কারণ, তিনি হয়তো জানেন, ধ্বংসের চেয়ে মানুষের সৃষ্টির ইতিহাস অনেক বেশি। তাই যেটুকু অর্থ বাঁচিয়ে রাখতে পেরেছিলেন, তা দিয়ে এই দুর্মূল্যের বাজার থেকে মাত্র তিনটি মৌ বাক্স কিনেছিলেন। এতেই খরচ হয়েছিল ৩ হাজার ডলারের বেশি। ছেলেদের সঙ্গে নিয়ে ধীরে ধীরে সেই তিনটি মৌ-কলোনি বেড়ে হয়েছে ৩৫টি।