বিল পরিশোধ নিয়ে প্রশ্ন
জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের একটি সূত্র জানায়, বিল পরিশোধের সময় বরগুনায় নির্বাহী প্রকৌশলীর দায়িত্বে ছিলেন রাইসুল ইসলাম। বর্তমানে তিনি টাঙ্গাইল জেলায় নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত।
কাজ সম্পন্ন না হওয়া হলেও ৩৯ নম্বর প্যাকেজের চূড়ান্ত বিল পরিশোধের বিষয়ে জানতে চাইলে রাইসুল ইসলাম মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ‘৩৯ নম্বর প্যাকেজের চূড়ান্ত বিল দিয়েছি কি না, তা এই মুহূর্তে মনে নেই। সব প্যাকেজের সাইট এমনভাবে ছড়িয়ে আছে যে নির্দিষ্ট করে কোনটি সম্পন্ন আর কোনটি অসম্পূর্ণ, তা বলা কঠিন। সাইট লিস্ট পাঠান, আমি দেখে বলতে পারব।’
এই প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক বাদশাহ মিয়া বিল পরিশোধের তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ‘তালিকাভুক্ত উপকারভোগীদের কারও ক্ষেত্রে আংশিক কাজ হয়েছে, আবার কারও ক্ষেত্রে কিছুই হয়নি—এমন হওয়ার কথা নয়। নির্দিষ্ট তথ্য পেলে যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এর আগে গত বছরের অক্টোবরেও প্রকল্প পরিচালক মো. বাদশাহ মিয়া প্রথম আলোকে বলেছিলেন, ‘আমিও অনিয়মের অভিযোগ পেয়েছি। শুধু বরগুনা নয়, অন্য জেলাগুলো থেকেও এসেছে। আমি সরেজমিনে যাব এবং কাজগুলো যাতে ত্রুটিমুক্ত হয়, সে ব্যাপারে কোনো ছাড় দেব না।’




