প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহাদী আমিন বলেছেন, প্রথম একশ দিনেই জনগণের ক্ষমতা জনগণের কাছে ফিরিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নিয়েছেন। বিভিন্ন খাতে সরকারের উদ্যোগে মানুষের মনে আশার সঞ্চার করেছে।
জনগণের প্রত্যাশা পূরণ ও উন্নয়ন-অগ্রযাত্রায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সফল ‘১০০ দিন পূর্তি’ উপলক্ষে আজ সোমবার (২৫ মে) তেজগাঁও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন এসব কথা বলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।
মাহাদী আমিন বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারের মন্ত্রিসভা ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে চলতি মাসের ২৪ মে পর্যন্ত মোট ১০টি কেবিনেট সভা সম্পন্ন করেছে। এসব সভায় সর্বসম্মতিক্রমে ৬০টি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। তারমধ্যে ৩৭টি সিদ্ধান্ত অর্থাৎ প্রায় ৬২ শতাংশ এরইমধ্যে বাস্তবায়িত হয়েছে এবং অবশিষ্ট ২৩টি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন তাদের সময়কার সরকার দেশে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা বিকাশ নিশ্চিত করেছে। সেই ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকারও গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের জন্য সর্বোচ্চ স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে।
মাহাদী আমিন বলেন, এ নজিরবিহীন স্বাধীনতার সুযোগ নিয়ে একটি গোষ্ঠী উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে নৈরাজ্য সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে এবং বিভিন্ন ধরনের অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদসহ রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গকে নিয়ে বিভ্রান্তিকর প্রচারণা, অশোভন আচরণ ও অশালীন কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সামাজিক অস্থিতিশীলতা তৈরির যে প্রয়াস চলছে, তা গণতান্ত্রিক পরিবেশ ও রাষ্ট্রীয় শৃঙ্খলার জন্য ক্ষতিকর।
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহাদী আমিন বলেন, সরকার একদিকে মানবাধিকার, বাকস্বাধীনতা ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে, যার প্রতিফলন গত ১০০ দিনের উদার ও সহিষ্ণুতার নতুন মানদণ্ডে বারবার প্রতীয়মান হয়েছে। অন্যদিকে বাকস্বাধীনতার নামে অপপ্রচার, বিদ্বেষ বা বিষেদগারের যে রাজনীতি একটি গোষ্ঠীর অপকৌশলে পরিণত হয়েছে, সেই চর্চা গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্খার সাথে সাংঘর্ষিক।
সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এবং প্রেস উইংয়ের অন্যান্য দায়িত্বশীল সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।






