প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর থেকে বাংলাদেশ কী পেতে পারে

প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর থেকে বাংলাদেশ কী পেতে পারে

পাঁচ থেকে দশ বছরের পূর্ব এশিয়া সহযোগিতা পরিকল্পনায় অগ্রাধিকার শিল্প খাত, সরবরাহকারীর সক্ষমতা, প্রশিক্ষণ, যৌথ গবেষণা ও উৎপাদনের পর্যায় নির্ধারণ করা যেতে পারে। পারস্পরিকভাবে গ্রহণযোগ্য শর্তে স্থানীয় ক্রয় ও শেখার সুযোগ বাড়ানো প্রয়োজন। মূল্যায়নের সূচক হবে বাস্তব বিনিয়োগ, দেশীয় মূল্য সংযোজন, কর্মীর আয়, স্থানীয় ক্রয়াদেশ ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা।

সমুদ্রপথের নিরাপত্তা, দুর্যোগে সহায়তা, আন্তর্জাতিক আইন ও শান্তিপূর্ণ বিরোধ নিষ্পত্তিতেও সহযোগিতা সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে। রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তা এবং নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে জাপানের ধারাবাহিক কূটনৈতিক সম্পৃক্ততা প্রত্যাশা করা যেতে পারে।

সফর শেষে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা, সময়সীমা ও পর্যালোচনা পদ্ধতিসহ বাস্তবায়ন তালিকা প্রকাশ সহায়ক হবে। ছয় মাস ও এক বছরের অগ্রগতি মূল্যায়নে ঘোষিত বিনিয়োগ, প্রকৃত অর্থপ্রবাহ ও উৎপাদন এবং প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থান আলাদাভাবে বিবেচনা করা প্রয়োজন। পাঁচ দশকের আস্থা পরবর্তী দশকের শিল্পায়নের ভিত্তি হতে পারে, যদি অবকাঠামোর সঙ্গে উৎপাদন এবং অভিবাসনের সঙ্গে জ্ঞান যুক্ত হয়।

  • ড. এ কে এম আহসান উল্লাহ অধ্যাপক, ইউনিভার্সিটি ব্রুনেই দারুসসালাম, ব্রুনেই

  • [email protected]

  • মতামত লেখকের নিজস্ব