এভাবে ইউনিয়ন পর্যায় থেকে শুরু করে বিশেষায়িত হাসপাতাল পর্যন্ত একটি সমন্বিত, ডিজিটাল ও মানবকেন্দ্রিক স্বাস্থ্য ইকোসিস্টেম গড়ে ওঠে। গ্রামীণ এলাকায় এই মডেলটি কমিউনিটি ক্লিনিক, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র এবং ইউনিয়ন সাব-সেন্টারকে ডিজিটাল স্বাস্থ্য প্রযুক্তির সঙ্গে সংযুক্ত করে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার কার্যকারিতা বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে।
অন্যদিকে শহরাঞ্চলে বাড়ি বাড়ি সেবা দেওয়ার সীমাবদ্ধতা বিবেচনায় রেখে এলাকাভিত্তিক জিপি সেন্টারভিত্তিক সেবাকাঠামো গড়ে তোলা হয়েছে। এসব সেন্টারে চিকিৎসক, নার্স ও প্যারামেডিকদের সমন্বয়ে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা, স্বাস্থ্য পরামর্শ এবং প্রয়োজনে উচ্চতর চিকিৎসাকেন্দ্রে রেফারেল নিশ্চিত করা হয়। এর মাধ্যমে শহরাঞ্চলেও কমিউনিটির অংশগ্রহণ বৃদ্ধি, স্বাস্থ্যসচেতনতা উন্নয়ন এবং সহজলভ্য প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার একটি কার্যকর ব্যবস্থা তৈরি হচ্ছে।
এই মডেলের আরেকটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো এর ব্যাপক সেবা পরিসর। এটি শুধু জ্বর বা সাধারণ সংক্রামক রোগ নয়; বরং ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, অপুষ্টি, মাতৃস্বাস্থ্য, শিশুর বৃদ্ধি পর্যবেক্ষণ, কিশোর-কিশোরীর স্বাস্থ্য, মানসিক স্বাস্থ্য, প্রবীণদের স্বাস্থ্য, এমনকি স্তন ক্যানসার, চোখের স্ক্রিনিং এবং বিভিন্ন অসংক্রামক রোগের প্রাথমিক স্ক্রিনিংও অন্তর্ভুক্ত করে। সেবাগুলো বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশিকা এবং সরকারের এসেনশিয়াল সার্ভিস প্যাকেজের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পরিচালিত হয়।




