দুই প্রাক্তন এবং তিন সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে খুব সম্প্রতি তৃতীয়বার আইনি বিয়ে সারেন আমির খান। ঘনিষ্ঠ বন্ধুবান্ধবদের উপস্থিতিতে গৌরীকে তৃতীয় স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ করেন আমির খান। কিন্তু আমিরের এই বিয়ে নিয়েই তৈরি হল প্রশ্ন।
কেন বারবার শুধুমাত্র হিন্দু নারীকেই বিয়ে করেন অভিনেতা? এই প্রশ্ন তুলে অভিনেতাকে দেশের বাইরে বিতাড়িত করার প্রসঙ্গে সরব হয়েছে ভারতের বেশকিছু হিন্দু সংগঠন, এমনই খবরই ছেপেছে দেশটির প্রায় সব গণমাধ্যম।
খবর অনুযায়ী, সম্প্রতি বিহারের ফোরবেসগঞ্জ এলাকায় আমির খানের তৃতীয় বিয়ে নিয়ে এক বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হয়। আমিরের বিরুদ্ধে লাভ জিহাদের অভিযোগ তুলে অভিনেতার কুশপুতুল জ্বালায় বিক্ষোভকারীরা। বজরং দলের সদস্যরা আমির খানকে জেহাদি বলে স্লোগান তোলে।
বজরং দলের এই বিক্ষোভ প্রদর্শনের ভিডিও ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। দলের নেতা মনোজ সোনি একটি বিবৃতিতে বলেন, ‘আমির খান বারবার হিন্দু নারীদের বিয়ে করছেন। তাদের গর্ভবতী করছেন। কেন তিনি মুসলিম কোন নারীকে বিয়ে করেন না? এটা হিন্দুদের বিরুদ্ধে একটা ষড়যন্ত্র ছাড়া আর কিছুই নয়।’
মনোজ সোনি আরও বলেন, ‘হিন্দু নারীদের তিনি মুসলিম ধর্মে কনভার্ট করছেন না ঠিকই কিন্তু সন্তানদের নাম রাখছেন নিজের ধর্মের নাম অনুসারে। কেন শুধুমাত্র বারবার হিন্দু মেয়েদের প্রেমেই পড়েন তিনি? যদি বিয়েও করেন তাহলে কেন বারবার ডিভোর্স করেন?’
সমাজের সম্প্রীতি নষ্ট করার অভিযোগ তুলে সরকারের কাছে আমিরের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করার দাবি জানান মনোজ। যদিও শুধুমাত্র বজরং দল নয়, আমিরের এই তৃতীয় বিয়ে নিয়ে সরব হয়েছেন বিখ্যাত লেখিকা তসলিমা নাসরিনও। তিনিও আমিরের বারবার হিন্দু মেয়েদের বিয়ে করার প্রসঙ্গে প্রশ্ন তোলেন।
১৯৮৬ সালে রিনা দত্তকে বিয়ে করেছিলেন আমির খান। এরপর ২০০২ সালে বিবাহ বিচ্ছেদের পথে হেঁটেছিলেন তিনি। পরবর্তীকালে ২০০৫ সালে কিরণ রাওকে বিয়ে করেন আমির কিন্তু ২০২১ সালে আবার বিবাহ বিচ্ছেদের পথে হেঁটেছিলেন তারকা দম্পতি। দ্বিতীয় বিবাহ বিচ্ছেদের কিছু মাস পরেই তিনি নিজের নতুন বান্ধবীর সঙ্গে পরিচয় করান। তারপরেই সকলকে চমকে দিয়ে চলতি মাসে তৃতীয় বিয়ের সারেন তিনি।





