বার্সেলোনার সামনে এখন বড় একটি বিষয় হলো আগামী প্রাক্–মৌসুমের আগে দলের শারীরিক প্রস্তুতি ও ইনজুরি সমস্যা সমাধান করা। কারণ, খেলোয়াড়দের মধ্যে যেমন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, তেমনি ফ্লিকও এ নিয়ে হতাশ।
চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে হারের পর সংবাদ সম্মেলনে ফ্লিককে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, দলে তিনি কীসের অভাব দেখেন? ফ্লিক সরাসরি ইঙ্গিত করেন চলতি মৌসুমে বার্সার বড় সমস্যা গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়দের একের পর এক চোট।
তবে বিশ্লেষকদের মতে, ফ্লিকের খেলার ধরনও এখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তাঁর কৌশল মূলত হাই–প্রেসিং এবং আক্রমণাত্মক অফসাইড ট্র্যাপের ওপর নির্ভরশীল। এই স্টাইল খেলোয়াড়দের বারবার দ্রুত দৌড়, দিক পরিবর্তন এবং তীব্র শারীরিক পরিশ্রম করতে বাধ্য করে। ফলে এমন কৌশল ফলদায়ক হলেও তা হ্যামস্ট্রিংসহ পেশির ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি করে, যা বার্সেলোনার চলতি মৌসুমের ইনজুরি সমস্যার সঙ্গে অনেকটা মিলে যায়।
ইয়ামালের ক্ষেত্রে আপাতত সবচেয়ে স্বস্তির খবর হলো, তিনি বিশ্বকাপ মিস করবেন না। তবু প্রশ্ন থেকে যায়, কতটা ফিট হয়ে তিনি টুর্নামেন্টে পা রাখবেন? আশা করা হচ্ছে, তাঁর এই চোট থেকে সেরে উঠতে ছয়–সাত সপ্তাহ লাগবে। তাই শারীরিক অবস্থার উন্নতি ঠিকভাবে হলে ইয়ামাল সময়মতোই স্পেন জাতীয় দলের ক্যাম্পে যোগ দিতে পারবেন। সেখানে কোচিং স্টাফ শুরু থেকেই তাঁর ফিটনেস নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করবে।




