মহাবিশ্বে আমরা কি সত্যিই একা

মহাবিশ্বে আমরা কি সত্যিই একা

যদিও প্রশ্ন থেকে যায়, কখন আমরা নিশ্চিতভাবে বলতে পারব যে ভিনগ্রহে প্রাণ পাওয়া গেছে। এই জটিল প্রশ্নের উত্তর দিতে নাসার বিজ্ঞানীরা একটি নতুন বৈজ্ঞানিক কাঠামোর প্রস্তাব করেছেন। সাত স্তরের স্কেলবিশিষ্ট বৈজ্ঞানিক কাঠামোটির বিষয়ে নাসার প্রধান বিজ্ঞানী জিম গ্রিন বলেন, এ ধরনের একটি কাঠামো আমাদের বুঝতে সাহায্য করবে যে কোনো নির্দিষ্ট স্থানে প্রাণের সন্ধানে আমরা ঠিক কতটুকু এগিয়েছি এবং আমাদের প্রযুক্তি ও অভিযানগুলো সেই লক্ষ্য পূরণে কতটা সক্ষম। মানদণ্ডটি বিজ্ঞানীদের ধাপে ধাপে চূড়ান্ত ঘোষণার দিকে নিয়ে যাবে।

নাসার সদর দপ্তরের অ্যাস্ট্রোবায়োলজি প্রোগ্রামের প্রধান মেরি ভয়েটেক বলেন, এখন পর্যন্ত আমরা সাধারণ মানুষকে বুঝিয়েছি, হয় প্রাণ আছে অথবা নেই। কিন্তু বিজ্ঞানের প্রতিটি আবিষ্কার একটির ওপর আরেকটি দাঁড়িয়ে তৈরি হয়। আমাদের আবিষ্কারের উত্তেজনা ভাগ করে নেওয়ার এবং জনমনে সঠিক প্রত্যাশা তৈরির জন্য একটি ভালো পদ্ধতি দরকার। মঙ্গল গ্রহে যখনই পানি বা জৈব যৌগের সন্ধান পাওয়া যায়, সংবাদমাধ্যমে এমনভাবে প্রচার করা হয়, যেন প্রাণ পাওয়া গেছে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা জানেন, পানি থাকা মানেই প্রাণ থাকা নয়। এই মানদণ্ড থাকলে সাংবাদিক ও সাধারণ মানুষ বুঝতে পারবেন যে প্রতিটি ছোট পদক্ষেপই চূড়ান্ত আবিষ্কারের সিঁড়ি।